আইএসএফে বড়ছড় ভাঙ্গন। দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে ফের দলবদল। এবার সংযুক্ত মোর্চার জোট শরিক আইএসএফে ভাঙন ধরাল রাজ্যের শাসক দল। আইএসএফ থেকে  সোমবার তৃণমূলে যোগ দিলেন আইএসএফ সদস্য কওসর আলি মল্লিক ওরফে হাজি মহম্মদ, আবদুল মেনন, আবদুল মাহবুদ। 

আরও পড়ুন, 'কি মা-বোনেরা গুন্ডারা এলে হাতা-খুন্তি-দিয়ে আদর করবেন তো', নন্দীগ্রামে নিমতাকাণ্ডে নীরব মমতা 

 

 

'বাংলায় আইএসএফ বলে আর কিছুই থাকল না'-দাবি ফিরহাদের


ফিরহাদ হাকিমের দাবি বাংলায় আইএসএফ বলে আর কিছুই থাকল না। আইএসএফের কাজে আত্মসমর্পণ করেছে বামফ্রন্ট। বামদের রুখতে একমাত্র পারবে তৃণমূল। ফিরহাদ আরও বলেছেন সিপিএমের সঙ্গে আইএসএফের জোট নিয়ে তাঁদের আদর্শগত আপত্তি রয়েছে বলেই সেই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।  এদিন তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিলেন আইএসএফ ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা দক্ষিণ ২৪ পরগণার অবজারবার হাজী মহম্মদ সহ আবদুল মেনন, আবদুল মাহবুদ। তৃণমূলের যোগ দিয়েই তাঁরা জানিয়েছেন, একসময় বামেদের বিরুদ্ধেই মমতার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আব্বাসরা। এখন মমতার বিরুদ্ধে গিয়ে ফের বামেদের হাত ধরলে কীকরে তা সমর্থন যোগ্য হয়। এখন আর  আব্বাস সিদ্দিকির অধীনে আর তাঁরা রাজনীতি করতে চান না বলেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের দলে যোগ দিয়েছেন। এদিন সকলকেই দলে স্বাগত জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। 

 

আরও পড়ুন, 'আমাকে চাইলে সোহম-অদিতি ভূলে যান', শেষবেলায় প্রার্থীদের উপর ভরসা হারালেন কি 'দিদি'  

 

 


নিমতাকাণ্ডে মমতা নীরব থাকলেও মুখ খুলেছেন ফিরহাদ, সৌগতর কথার পরে তবুও উঠল প্রশ্ন

 

অপরদিকে, নিমতাকাণ্ডে মমতা নীরব থাকলেও মুখ খুলেছেন ফিরহাদ। ফিরহাদের দাবি,'মৃত্যুকে রাজনীতি করা হচ্ছে। বাংলার মানুষ বোকা নয়।  সব অন‍্যায় বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।' প্রসঙ্গত,  'বিজেপি করার অপরাধে' ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে নিমতা বাসিন্দা গোপাল মজুমদার ও তার ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা শুভ্রা মজুমদারকে মারধর করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর আহত গোপালের মা শুভ্রা মজুমদারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাসখানেক হাসপাতালে থাকার পর বাড়িতেই তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসারত অবস্থায় আজ সকালে শুভ্রা মজুমদারের মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুর জন্য তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে মৃতের পরিবার। সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। এদিকে সৌগত রায়,আক্রান্ত 'বৃদ্ধার মৃত্যুকে বয়স জনিত কারণেই হয়েছে' বলে দাবি করেছেন।  কিন্তু তবু শেষটায় একটা প্রশ্ন থেকে যায়,  নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআই-এর নেতা মইদুলের কি একই কারণে মৃত্যু হয়েছিল, নাকি উপরি পাওনা-' অরগ্যান ফেলিওর', জোর চাপান উতোর রাজনৈতিক মহলে।