রাষ্ট্রপতি ভবনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্ম বার্ষিকীতে কার ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল-- এই নিয়ে উত্তাল নেটদুনিয়া। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেছিলেন রাষ্টপতি রামনাথ কোবিন্দ নেতাজির প্রতিকৃতীর নামে যে ছবিটি উন্মোচন করেছিলেন সেটি নেতাজির নয়। সেটি অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু ছবিটির সঙ্গে প্রসেজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের পুরোপুরি মিল নেই বলেও নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেছিলন। দিনভর চলা বিতর্ক অবশেষে মুখ খুলল বিজেপি। আর সারাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করাল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে।

বিজেপি আইটি সেলের প্রধান কথা বাংলা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রাপ্ত অমিল মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা নেতাজিকে চিনতে পারেনি। অথবা তাঁরা জানেনই না যে জনপ্রিয় বাংলি অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে কেমন দেখতে। এটাকে কী বলল, বাংলার সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ অথবা  নাড়ির সম্পর্কের অভাব? এরপরই অমিত মালব্য তাঁর স্বভাব সুলভ ভঙ্গিতে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, এখন আমরা জানি কেন পিসি, নেতাজি ও বাংলার অন্যান্য মণীষি যাঁরা ভারতের আইকন তাঁদের নিয়ে  মায়ার জাল তৈরি করছেন। 

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও। তিনি কারও নাম না নিয়ে কিছুটা চড়া সুরেই রাষ্ট্রপতির কার্যালয় নিয়ে ট্রোলিং-এর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন নেতাজি আমাদের জাতীয় আইনকন। তাঁকে নিয়ে এজাতীয় মন্তব্য করা ঠিক নয়। 

চলতি বছর নেতাজির জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের যুযুধান দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি রীতিমত সমুখ সমরে নেমেছিল। আর তাতে প্রচ্ছন্ন মদ ছিল কেন্দ্রের। ভোটের বাংলায় নেতাজি সহ বাংলার মণীষিদের সামনে রেখে দুই দলই চাইছে সাফল্য অর্জন করতে। একই সঙ্গে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের হাওয়া কাড়তে।