২৪ ঘন্টার জন্য নির্বাচনী প্রচার থেকে বিদায়ী মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরত করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক এবং অসাংবিধানিক বলে দাবি করে এদিন কলকাতায় গান্ধী মূর্তির সামনে বেলা ১১টা বেজে ৪০ থেকে অবস্থানে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন ঘন্টা অববস্থান করে, ছবি এঁকে উঠে যান। এই অবস্থান আসলে একপ্রকার প্রচারই , এমনটাই অভিযোগ করলেন সিপিএম নেতা তথা যাদবপুর কেন্দ্রের প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী।

মঙ্গলবার, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর মতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অবশ্যই উস্কানিমূলক এবং তা গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ব্যবস্থার পরিপন্থীও বটে। তাই কমিশনের সিদ্ধান্ত একেবারে সঠিক। কিন্তু, কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ধর্নায় বসাটা, 'অন্য রকমের প্রচার'। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিক কমিশন, এমনই দাবি করেছেন সিপিএম নেতা।

এদিন, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহাকেও ৪৮ ঘন্টার জন্য প্রচার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ, তাঁর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু, এমনকী প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও মমতার মতোই প্রয়োচনামূলক মন্তব্য করছেন। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এর আগেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, মমতা যেমন উস্কানি দিয়েছেন, একইভাবে উল্টো দিক থেকে উস্কানি দিয়েছে  বিজেপিও। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন খেলা হবে। আর বিজেপি নেতারা বলছেন, শীতলকুচির মতো খেলা হবে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে শীাতলকুচির ঘটনায় যে গুলিচালনা আত্মরক্ষার জন্য হয়নি, তার প্রমাণ দিয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতারা,  এমনটাই দাবি সিপিএম নেতার।