শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই রাজ্য়ের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ দেখানো শুরু করেছেন টিকিট না পাওয়া তৃণমূল নেতারা। সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই থেকে ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম - দাঁত-নখ বের করেছেন অনেকেই। এরমধ্যে যে আরও কয়েকজন তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে ঝাঁপ মারতে চলেছেন, তা একরকম পরিষ্কার।

শুক্রবার, বিকেলেই কার্যত তৃণমূলের আরও অন্তত দুই উইকেট পড়া নিশ্চিত হয়ে গেল। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই এদিন সন্ধ্যায় মুকুল রায়ের বাড়ি আসেন হাওড়ার সাঁকড়াইল-এর বিধায়ক শীতল সর্দার। শীঘ্রই তিনি বিজেপি-তে যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে পর পর ৫বার এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক পদে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।

এদিন সন্ধ্যায় মুকুল রায়ের বাড়ি ঢুঁ মারেন আরেক তৃণমূল নেতা তথা ব্যবসায়ী দীনেশ বাজাজ। ২০০৬ সালে জোড়াসাঁকো কেন্দ্র থেকে তিনি তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক হয়েছিলেন। ২০২০ সালে তৃণমূলের সমর্থনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন। কিন্ত হলফনাামায় অস্পষ্টতা থাকার কারণে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। এদিন তিনি মুকুল রায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে জানিয়েছেন, টিকিট না পেতেই এদিন বিকালে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেছেন, এখন বিজেপি-তে যোগ দিতে চলেছেন।

আরাবুল ইসলাম, রফিকুল রহমান, মইনুদ্দিন শামস-এর মতো টিকিট না পেয়ে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাদের তালিকাটা যেভাবে বাড়ছে, তাতে আগামী কয়েকদিনে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে দলবদলু নেতাদের তালিকাটা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।