''বাড়িতে পদ্মফুল ফোটাবো''। শুধু তাই নয়, ''পদ্মফুল ফুটবে হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটেও''। খড়দহে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্তের পরই রাতারাত কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে অপসারণ করা হয় তাঁর ভাই সোমেন্দ্রকে। তার কারন জানতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে চিঠিও দিয়েছিলেন তাঁদের মেজো ভাই দিব্যেন্দু। এবার সেই অধিকারি পরিবারের সংঘাত সোজা গিয়ে পৌঁছল আদালতের দোর গড়ায়। 

কাঁথি পুর-প্রশাসক থেকে অপসারণ নিয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হলেন সৌমেন্দ্র অধিকারী। শুভেন্দু দল বদল করেও অধিকারী পরিবারের আর কেউ তৃণমূল ত্য়াগ করেননি। তৃণমূলেই রয়েছেন শিশির অধিকারী, দক্ষিণ কাঁথির সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। এমনকি খাতায় কলমে নাম রয়েছে সৌমেন্দ্র অধিকারীরও। এই অবস্থায় পুরসচিবের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে অপসারণ করা হয় সৌমেন্দ্রকে। তা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভের সঞ্চার হয় অধিকারী পরিবারে। এবার প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে চ্য়ালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করলেন সৌমেন্দু।

সৌমেন্দ্র অধিকারীর করা এই মামলায় আগামী ৪ জানুয়ারি শুনানির সম্ভাবনা। তাঁর পক্ষে আদালতে সওয়াল করবেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। পুরসচিবের করা বিজ্ঞপ্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে মামলা করেন সৌমেন্দ্র অধিকারী। অন্যদিকে, শুক্রবার নতুন বছরের প্রথম দিনে কাঁথিতে সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তাঁর সভায় ভাই সৌমেন্দ্র অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন।