মাইক বাজিয়ে ঘোষণা করেও লাভ হয়নি। দিঘায় পর্যটক লাগামছাড়া বেলেল্লাপনা করবেই। প্রাণের মায়াটুকুও রাখবে না। সমুদ্র কেড়েও নেবে একের পরে এক প্রাণ। দিঘার সমুদ্রে পর্যটকের প্রাণ বাঁচাতে এবার তাই  আসরে নামল পুলিশ। গ্রেফতার করল ১০ জনকে। এরা প্রত্যেকেই নিষেধ না মেনে সমুদ্রে বিপদসীমা লঙ্ঘন করেছে। 

দিঘাতে এখন পর্যটকের ভালোই ভিড় রয়েছে। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বাড়িয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ওল্ড দিঘা থেকে নিউ দিঘার প্রতিটি ঘাটে সিভিক ভলান্টিয়ার ও নুলিয়া রাখা হয়েছে। সাইরেন বাজিয়ে অথবা মাইকিং করা হচ্ছে সর্বক্ষণয স্নান করার সময় সতর্ক করা হচ্ছে বিপদ এড়াতে। তবুও পর্যটকেরা মদ্যপ অবস্থায় কিংবা এমনই স্নানে নেমে আইন না মেনে বিপদসীমার দিকে চলে যাচ্ছে।

গত সপ্তাহের ৬ তারিখ নিউ দিঘার জগন্নাথ ঘাটে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যাচ্ছিল একদল পর্যটক। সেই সময় নুলিয়া তাদের উদ্ধার করে। ৭ তারিখ নিউ দিঘার ক্ষনিকা ঘাটে সমুদ্রে নেমে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হয় বছর বাইশের মহম্মদ কোয়াইশের। তবুও সচেতন হয়নি পর্টকেরা। প্রতিদিনই নিয়ম না মেনে চলছে বেলেল্লাপনা। 

 তাই মঙ্গলবার সারা দিন দিঘা থানার ওসি বাসুকীনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিঘার বিভিন্ন ঘাটে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের তরফে সমুদ্রে বিপদসীমা না পেরোনোর জন্যে প্রতি মুহূর্তে মাইকিং করে চলেছে  পুলিশ। সবচেয়ে বেশি ভয় সপ্তাহান্তে। কেননা সারা বছর গোটা রাজ্য থেকে টুরিস্ট দীঘায় যায় ওই সময়ে। প্রশাসনের আশা গ্রেফতারির ঘটনায় টনক নড়বে অসচেতন পর্যটকদের।