আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী বুধবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ স্থলভাগে আছড়ে পড়ার কথা ছিল আমফানের। সেই প্রবেশ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। দিঘা থেকে বর্তমানে তা ৮০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই মাইকিং করে সতর্ক করা হয় সমুদ্রে পারে যেন কেউ না থাকে, কাঁচা বাড়ি থেকে বাসিন্দারা যেন অনত্র চলে যান, সবটাই সময় থাকতে সকলকে জানিয়েছে প্রশাসন।

আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই আবহাওয়ার পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করবে, সেই ছবিই ধরা দেয় উপকূলের অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই উত্তাল হয়েছে সমুদ্র। জলস্তর বেড়ে গিয়ে একাধিক জায়গায় রাস্তায় জল উঠে এলেছে। দিঘা, মন্দারমণি, কাকদ্বীপের ছবিটাও একই রকমের। ঝোড়ো হাওয়ায় একাধিক জায়গাতে ইতিমধ্যে গাছ ভেঙে পড়েছে, উড়ে গিয়েছে বাড়ির চাল। 

সমুদ্র ধারে সমব রকমের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রেখে চলেছেন পুলিশ প্রশাসন। ঝড়ের বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বুধবার বিকেল থেকেই ভয়াবহ রূপ নেবে এই ঘুর্ণিঝড়। বকখালিতে বেশ কয়েকটি কাঁচা বাড়ির চাল উড়েগিয়েছে ইতিমধ্যেই। ঝড় ঢোকার আগেই তা জানান দিয়ে যাচ্ছে কতটা শক্তিশালি হতে চলেছে এর প্রভাব। প্রতিটা ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা তুঙ্গে।