আর বেশি সময় নেই। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়বে ঘুর্ণিঝড় আমফান। ঘুর্ণিঝড়ে প্রভাব সকাল বকখালিতে উত্তাল সমুদ্র। প্রবল ঝড়-বৃষ্টি চলছে গোসাবা, কাকদ্বীপ-সহ সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রান্তে।

আরও পড়ুন: আমফানের কারণে ঢেউ উঠতে পারে ৫ মিটার, আতঙ্কের প্রহর গুণছেন উপকূলবর্তী মানুষ

কাউন্টডাউন্ট প্রায় শেষপর্যায়ে। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘুর্ণিঝড় আমফান আছড়ে পড়ল বলে! দিঘায় লাল সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বিপদ কম নয় দক্ষিণ ২৪ পরগণার সুন্দরবনেও। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সাগর দ্বীপ থেকে মাত্র ৯০ কিমি দূরে রয়েছে ঘুর্ণিঝড় আমফান। আকাশের মুখ ভার, ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টি নেমেছে কাকদ্বীপ-গোসাবা-সহ বিভিন্ন এলাকায়। বাতাসের দাপট এতটাই যে, বেশ কয়েকটি বাড়ি চাল উড়ে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভাঙন ধরেছে মাতলা নদীর বাঁধেও। আমফান আঁছড়ে পড়ার পর কী হবে, রীতিমতো আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: নামকরণ হয়েছিল ২০০৪ সালে, ১৬ বছর পর আছড়ে পড়ছে আমফান, তৎপরতা তুঙ্গে

আমফান পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের তৎপরতা তুঙ্গে। প্রাণহানি ঠেকাতে এলাকায় খোলা হয়েছে ত্রাণশিবির। সাগরদ্বীপ, গোসাবা, ফ্রেজারগঞ্জ, ক্যানিং ও মাতলা নদীর লাগোয়া এলাকায় থেকে এক লক্ষের বেশি মানুষকেও। ত্রাণশিবিরে মজুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত খাবার ও ওষুধও। শুধু তাই নয়, নদী লাগোয়া কিংবা নিচু এলাকাগুলি খালি করে দিয়েছে প্রশাসন।