কালীপুজো শেষ। দেখতে দেখতে চলে এল ভাইফোঁটা। পঞ্জিকা মতে ১৬ নভেম্বর বাংলার ৩০ কার্তিক সোমবার সকাল ৭টা ৬ মিনিট থেকে পরের দিন ভোর ১৭ নভেম্বর ভোর ৩টে ৫৬ পর্যন্ত ভ্রাতৃদ্বিতীয়া পালন। ভাইদের মঙ্গলকামনায় তাঁদের কপালে ফোঁটা দেবেন বোনেরা। 

আরও পড়ুন-প্রসূতি মৃত্যু ঘিরে নার্সিংহোমে ধুন্ধুমার-কাণ্ড, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠি

ভাইদের কপালে ফোঁটা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের মিষ্টিমুখ করাবেন বোনেরা। সেই সঙ্গে রয়েছে উপহারও। তাই আজ সকাল থেকেই জেলার মিষ্টির দোকানগুলিতে ভিড়। বোনেদের জন্য ভাইরাও অপেক্ষা করে থাকেন। ভাই-বোনকে মিষ্টি মুখ করান। এছাড়াও, উপহার দেওয়া নেওয়ার রেওয়াজ তো আছেই। সেকারনে মিষ্টির দোকানগুলিতে ভিড় করেছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করতে দোকাগুলিতেও সাজানো রয়েছে অনেক রকমের মিষ্টি।

আরও পড়ুন-৪০ দিনের লড়াই শেষ, সৌমিত্রকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্রসদনে অনুরাগীদের ভিড়

কেন পালন করা হয় ভ্রাতৃদ্বিতীয়া?

এই ভাইফোঁচা পালনের পিছনে দুটি কাহানি আছে। কোথাও বলা হয়, নরকাসুরকে বধ করে এই দিন ভোন সুভদ্রার কাছে গিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। সুভদ্রা দাদাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ফুল ও মিষ্টান্ন দিয়ে। আরতিও করেছিলেন। এর পাশাপাশি, ভাইফোঁটা নিয়ে আরও একটি প্রচলিত কাহিনী হল, যমরাজ গিয়েছিলেন বোন যমুনার কাছে। যমুনা তাঁর ভাইকে ফুল-মিষ্টান্ন দিয়ে ভাইকে বরন করে নিয়েছিলেন। সেই থেকে ভাইদের মঙ্গলকামনায় প্রবর্তিত ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।