অমিত শাহের রোড শোর উপরে হামলা এবং আক্রমণের অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি। অবিলম্বে তৃণমূল নেত্রীর নির্বাচনী প্রচারের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করার দাবি জানাল বিজেপি নেতৃত্ব। মুক্তার আব্বাস নকভির নেতৃ্তেব এ দিন নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয় বিজেপি-র তরফে। 

বিজেপি-র অভিযোগ, অমিতের রোড শোয়ের উপরে হামলা চালানোর জন্য মমতাই তাঁর সমর্থকদের উস্কানি দিয়েছেন। একই সঙ্গে কলকাতায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ফ্ল্যাগ মার্চ করানোর দাবি জানানো হয়েছে বিজেপি-র তরফে। এ ছাড়াও যারা বিদ্যাসাগর কলেজে ভাঙচুর চালিয়ে বিদ্যাসাগের মূর্তি ভেঙেছে, তাদেরও গ্রেফতার করার দাবি জানানো হয়েছে বিজেপি-র তরফে। তৃণমূলের অবশ্য অভিযোগ, বিহার, উত্তর প্রদেশ থেকে বহিরাগতদের এনে ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যাসাগরকে চেনে না, এরা নাকি দেশভক্ত!"

অমিত শাহের রোড শোচলাকালীন এ দিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ স্ট্রিট এবং বিধান সরণী চত্বর। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অমিতের বিরুদ্ধে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভের থেকেই অশান্তির সূত্রপাত। সেখানে বিজেপি-র সমর্থকদের সঙ্গে টিএমসিপি সমর্থকদের সংঘর্ষ বাঁধে। এর পরে বিদ্যাসাগর কলেজের সামনে মিছিল পৌঁছলে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিদ্যাসাগর কলেজের ভিতরে ঢুকে আসবাব পত্র ভাঙচুর করা হয়, বাইকে আগুন লাগানো হয়. ভেঙে ফেলা হয় বিদ্যাসাগরের মূর্তি।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে মমতা বলেন, "মনীষীদের গায়ে হাত দিলে ছাড়ব না। একজন মোদী গুন্ডা আর একজন অমিত শাহ গুন্ডা। বিদ্যাসাগরের মূর্তি যারা ভাঙে, তাদের গুন্ডা ছাড়া কী বলব! এর জবাব বিজেপি-কে দেবে মানুষ।"