কয়লা পাচার কাণ্ডে অনুপ মাজি ওরফে লালাকে ফেরার ঘোষণা করল আদালত। বারংবার সামনেও সিবিআই দফতরে হাজিরা দেয়নি অনুপ মাজি ওরফে লালা। ইতিমধ্য়েই লালার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সিবিআই।


প্রসঙ্গত, ১১ জানুয়ারি সকাল থেকেই কলকাতা সহ ১২ জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী গণেশ বাগারিয়া, লালার কালো টাকা কোম্পানি খুলে বাজারে খাটানো হত। এবং সেই টাকা প্রভাবশালীদের হাত দিয়েই যেত। এদিকে  দুর্গাপুর, রানিগঞ্জ, আসানসোল সহ ১০ টি জায়গায় তল্লাশী চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অনুপ মাজি ওরফে লালার ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। তবে শুধু খোঁজ পাওয়া যায়নি এসবের মাথা অভিযুক্ত লালাকেও।


অপরদিকে, বাঙুর অ্যাভিনিউতে এক চার্টাড অ্যাকান্টেন্ডের বাড়িতে তল্লাশি চালান ইডির অফিসারেরা। এছাড়া দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়াতে একটি আবাসনে বিশ্বজিৎ মালাকার নামে এক ব্য়বসায়ীর ফ্ল্য়াটে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। তাঁর বাবা ইসিএল কর্মী।কয়লা পাচারা কাণ্ডে ওই ব্য়বসায়ী এবং তাঁর বাবার সরাসরি যুক্ত বলেই অভিযোগ। পাশপাশি উত্তর ২৪ পরগণা-হুগলিতেও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। বাকিরা ধরা পড়লেই কয়লা কাণ্ডের আরও স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠবে।