এতদিন দেশ বা রাজ্য়ের মধ্য়ে সীমাবদ্ধ ছিল দিলীপ ঘোষের নিশানা। এবার রাজ্য় ছাড়িয়ে খোদ পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখলের হুমকি দিলেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রবিবার বারাসতে বিজেপির অভিনন্দন যাত্রা থেকে এই হুমকি দেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ।

অভিনন্দন যাত্রা শেষে বারাসত হেলা বটতলা মিলনী মাঠে  দিলীপ ঘোষ বলেন ,শীঘ্রই সিএএ নিয়ে যে লুঙ্গি বাহিনী বিরোধিতা করছে, তাদের চিহ্নিত করা হবে । আসলের সঙ্গে সুদকে ওপারে পাঠানো হবে। দরকার পড়লে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে নিয়ে নেওয়া হবে। এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি রাজ্য় বিজেপির এই নেতা। দিলীপ ঘোষের দাবি,অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে জিতে রাজ্য়ে ক্ষমতায় এসেছেন মমতা। ভোট কমার ভয়েই ঘুম খাওয়া বন্ধ করে অনুপ্রবেশকারীদের  সমর্থনে সিএএ বিরোধিতা করছেন তিনি। 

সম্প্রতি সিএএ বিরোধিতায় পথে নেমেছেন তৃণমূল নেত্রী। যা নিয়ে মুখে খুলেছেন দিলীপ । তিনি বলেন, শরণার্থী উদ্বাস্তুদের সব দল ভোটার করেছিল,নাগরিক করেনি। মোদী সরকার এসে এই উদ্য়োগ নিয়েছে। তাই নাগরিকত্ব ফর্মে অবশ্যই স্বাক্ষর করতে হবে। মমতা বন্দোপাধ্যায়য়ের কথায় ভরসা করলে ভুগতে হবে । 

এদিন  সিএএ- র সমর্থনে উত্তর চব্বিশ পরগণার মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসত পর্যন্ত মিছিল করেন দিলীপবাবুরা। মিছিল শেষে মঞ্চ থেকেই তিনি আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রীকে । আগে মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী যে রাস্তায় হেঁটেছিলেন, সেই একই রুট ম্যাপ মেনেছিল বিজেপির অভিনন্দন যাত্রা । পাঁচ কিলোমিটার সফরে বিজেপির মিছিল এদিন কোথাও আটকায়নি  পুলিশ। প্রায় কুড়ি হাজার লোকের ব্যানারে প্ল্যাকার্ডে সুসজ্জিত  মিছিলে স্লোগানে ধিক্কার ধ্বনি ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তৃণমূলের দ্বিচারিতা ও তৃণমূলের উদ্বাস্তু বিরোধিতার বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপির  কর্মী সমর্থকরা।