শিলিগুড়িতে আবগারি দপ্তরের এক আধিকারিকের উপর হামলা চালালো দুষ্কৃতীরা।  মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়াই শুধু নয়, তাঁকে ধারালো অস্ত্র গিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। 

আক্রান্তের নাম সঞ্জয় কুমার চক্রবর্তী। তিনি আবগারি দপ্তরের নকশাল বাড়ি এলাকার অফিসার ইনচার্জ বা ওসি।  দিন কয়েক আগে শিলিগুড়ি শহরের বিধানগর লাগোয়া কাজিগছ এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ ও আবগারি দপ্তর। উদ্ধার হয় প্রচুর জাল মদ, গ্রেফতারও করা হয় দুই জনকে। জানা গিয়েছে, সেই ঘটনার তদন্তেই বৃহস্পতিবার সকালে ফের কাজিগছ এলাকায় গিয়েছিলেন আবগারি দপ্তরের ওসি সঞ্জয় কুমার চক্রবর্তী। কিন্তু এবার সঙ্গে পুলিশ ছিল না। নিজের গাড়িতে চেপে একাই গিয়েছিলেন আবগারি দপ্তরের ওই আধিকারিক।  অভিযোগ, এলাকায় সঞ্জয়কে একা পেয়ে ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। চলে বেধড়ক মারধরও। মারে চোটে আবগারি দপ্তরের ওই আধিকারিকের মাথা ফেটে যায়। খবর পেয়ে যখন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, ততক্ষণে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা।  গুরুতর আহত অবস্থায় আবগারি দপ্তরের ওসি সঞ্জয় কুমার চক্রবর্তীকে হাসপাতালে ভর্তি করে শিলিগুড়ি বিধানসভা নগর থানার পুলিশ। অভিযুক্তরা এখনও অধরা।

আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়ি ফিরবেন প্রেমিকা, বর্ধমানে গৃহবধূকে খুন করে আত্মঘাতী প্রেমিক

উল্লেখ্য, ইদানিং রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে দুষ্কৃতীদের ধরতে গিয়ে পুলিশকর্মীদেরও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কিন্তু বাড়ছে।  দিন কয়েক আগে দক্ষিণ ২৪ পরগণা ক্যানিং রাতে অভিযানে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ হন এক কনস্টেবল। দুষ্কৃতীরা তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথারি গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। তারও আগে আসানসোলের পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে চম্পট দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হন এসআই-সহ দু'জন পুলিশকর্মী।  ঘটনার পরপরই অবশ্য হাওড়ার জগাছা থেকে ধরাও পড়ে যায় অভিযুক্তরা।