চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা। অভিযুক্ত খোদ এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। বিধায়কদের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেছেন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের গাজোলে।

২০১১ সাল কংগ্রেসের টিকিটে মালদহের গাজোল থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন সুশীল রায়। পরে অবশ্য দলবদল করে তিনি যোগ দেন তৃণমূলে। একসময়ে রাজ্যের শাসকদলের গাজোল ব্লকের সভাপতিও ছিলেন তিনি।  ২০১৬ সালে বিধানসভা ভোটে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে কিন্তু জিততে পারেননি সুশীল রায়।  বিধায়ক থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

মালদহের গাজোলের রানীগঞ্জে থাকেন শ্যামল সরকার।  এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক সুশীল রায়ের বিরুদ্ধে গাজোল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। শ্যামল সরকারের দাবি,  যখন বিধায়ক ছিলেন, তখন স্ত্রীকে আশাকর্মী পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা নিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা সুশীল রায়। কিন্তু ঘটনার পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও, এখনও শ্যামলের স্ত্রী চাকরি পাননি বলে অভিযোগ। অভিযোগকারীর দাবি, স্ত্রীর চাকরি না হওয়ায় প্রাক্তন বিধায়কের কাছে টাকা চাইতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু টাকা তো পানইনি, উল্টে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। 

কী বলছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক সুশীল রায়? অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। গাজোলের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের পাল্টা প্রশ্ন, 'ঘটনার চার বছর পর কেন অভিযোগ করছেন শ্যামল সরকার? এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নেই।' তদন্তে নেমেছে গাজোল থানার পুলিশ।