শুক্রবার ফের বেলা পেরোতেই হাওড়ার পাঁচলা বাজারে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের নতুন করে সংঘর্ষ হয়। এদিকে বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের আগুনে জ্বলে ওঠে বাজার এলাকার দোকান। এরপর দমকল নয়, রাজ্য পুলিশকেই তৎপর হতে দেখা যায়। বালতি হাতে আগুন নেভাতে শুরু করে হাওড়া পুলিশ। হাওড়ার আওতাধীন উলুবেড়িয়া সাব ডিভিশনে জাতীয় সড়ক এবং রেলওয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় ইতিমধ্য়েই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।  

শুক্রবার ফের বেলা পেরোতেই হাওড়ার পাঁচলা বাজারে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের নতুন করে সংঘর্ষ হয়। এদিকে বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের আগুনে জ্বলে ওঠে বাজার এলাকার দোকান। এরপর দমকল নয়, রাজ্য পুলিশকেই তৎপর হতে দেখা যায়। বালতি হাতে আগুন নেভাতে শুরু করে হাওড়া পুলিশ। হাওড়ার আওতাধীন উলুবেড়িয়া সাব ডিভিশনে জাতীয় সড়ক এবং রেলওয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় ইতিমধ্য়েই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাতে না যায়, সেই কারণেই কড়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রশাসন। ইতিমধ্য়েই গ্রেফতার ৭০ এর উপরে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

Scroll to load tweet…

প্রসঙ্গত, ইসলাম ধর্ম ও হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপি নেত্রীর নুপুর শর্মার বিতর্কিত একটি মন্তব্যেই উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয় উত্তরপ্রদেশের কানপুরে। স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে স্থানীয় সংখ্যালঘুদের সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন। দোকানেও ভাঙচুরও চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আধাসেনা নামাতে হয় উত্তরপ্রদেশ সরকারকে।হাজারের বেশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্যাংস্টার আইনে মামলা করা হয়। আর সেই যোগী রাজ্যের ছায়া এবার বাংলাতেও।

ইসলাম বিদ্বেষী এমন ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দিন ভোর হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায়, জাতীয় সড়কের একাংশ অবরোধের জেরে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ মানুষ। খবর পেয়ে অবরোধ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর আবেদনে সাঁড়া দিল না বিক্ষোভকারীরা। ফের রাস্তা, রেল অবরোধ করতেই আমজনরা দুর্ভোগ বাড়ে। এধরণের জনস্বার্থ বিরোধী কর্মসূচি দমনে পুলিশও পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগেই হাওড়ায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ইতিমধ্যেই উলুবেরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাওড়া জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাতে না যায়, সেই কারণেই কড়া পদক্ষেপ নিয়ে প্রশাসন। ইতিমধ্য়েই গ্রেফতার ৭০ এর উপরে। আর নিয়ম লঙ্ঘনের সেই তালিকায় রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘনে, হাওড়া যাওয়ার পথে তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। 

এদিকে নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দেশের একাধিক রাজ্যে আত্মঘাতী হামলার হুমকি আলকায়দার। নূপুর শর্মাকে বিজেপি সাময়িক বরখাস্ত করলেও বিতর্ক থামেনি। ক্ষোভের আগুন নিভে যাওয়া তো দূরের কথা, তার বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য, আরও একাধিক দেশে ভারতের সমালোচনায় যোগ দিয়েছে। অন্তত ১৫ টি দেশ এই ইস্যুতে তাঁদের সমালোচনা প্রকাশ করেছে। ইরাক, লিবিয়া, মালওয়েশিয়া , তুরস্ক-সহ এক ডজনেরও বেশি মুসলিম রাষ্ট্র এই সমালোচনায় যোগ দিয়েছে। তবে সবচেয়ে বিস্ফোরক বাক্যটি বলেছে আলকায়দাই। আলকায়দা জানিয়েছে, 'নবীর সম্মানের জন্য লড়াই করতে,দিল্লি, মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটে তাঁরা আত্মীঘাতী হামলা চালাবে।'