স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কের বলি হতে হল স্বামীকে। এমনই অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ধারসোনাই গ্রামে। অভিযোগ স্বামী অবৈধ সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়াতেই এ দিন স্ত্রী এবং তার বাপের বাড়ির লোকেরা মিলে বটি দিয়ে গলার নলি কেটে ওই যুবককে খুন করেছে।

মৃত যুবকের নাম লতিফ চৌধুরী (৩৪)। অভিযোগ, লতিফের স্ত্রী মানোয়ারা বিবি গত সাত দিন ধরে বাপের বাড়িতেই ছিল। এ দিন লতিফ একাই ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন। ভোরে লতিফের পরিবারের লোকেরা দেখেন, ঘরের মধ্যে বিছানাতেই গলার নলি কাটা অবস্থায় ওই যুবকের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে।  

মৃতের পরিবারের দাবি, লতিফ এবং মানোয়ারার দশ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। দম্পতির সাত এবং নয় বছর বয়সি দুই মেয়েও রয়েছে। কিন্তু বছরখানেক আগে লতিফের স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় বলে অভিযোগ। সেকথা জেনে ফেলেছিলেন লতিফ। তা নিয়ে স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে বচসাও হয়। 

গত বৃহস্পতিবার লতিফ তার স্ত্রী ও ছোট মেয়েকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। ডাক্তার দেখানোর পরে লতিফ কাছেই একটি দোকানে ওষুধ আনতে যান। ফিরে এসে দেখেন, তার স্ত্রী এবং মেয়ে কেউই সেখানে নেই। নিহত যুবকের পরিবারের দাবি, তারপর থেকে তাদের আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মানোয়ারার বাপের বাড়ির এলাকার একটি ছেলের সঙ্গেই তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। যে ঘরে ওই যুবককে খুন করা হয়,  সেখান থেকে একটি রক্তমাখা বটি উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ। লতিফের স্ত্রী বা পরিবারের লোকজন পলাতক।