ধানক্ষেতে পড়ে রয়েছে এক মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ। আর কাছেই একটি গাছে ঝুলছে এক ব্যক্তির নিথর দেহ। জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল হুগলির পাণডুয়ায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মহিলাকে খুন করে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ওই ব্যক্তি।

কিন্তু যে দু'জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের পরিচয় কী? কেনই বা এমন ঘটনা ঘটল? বৃহস্পতিবার সকালে মৃতদেহ দু'জনকেই শনাক্ত করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, মৃত মহিলা হীরামুনি টুডু।  আর গাছে যে গাছে যাঁর দেহ ঝুলছিল, তাঁর নাম শমভু মুর্মু। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হীরামুনি ও শমভু দু'জনেই বিবাহিত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এই নিয়ে দুই পরিবারে অশান্তিও  কম হয়নি। কিন্ত বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেননি হীরামুনি ও শমভু।  বুধবার রাতে কার্তিক পুজোর ভাসান দেখতে দু'জনে একসঙ্গেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। কিন্তু আর ফেরেননি। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, কার্তিক পুজোর ভাসান দেখতে গিয়ে মদ্যপান করেছিলেন শমভু।  বাড়ি ফেরার পথে, হীরামুনির সঙ্গে কোনও কারণে ঝামেলা হয়। এরপরই মদ্য়প অবস্থায় প্রেমিকা খুন করে ফেলে শমভু। তারপর নিজেও গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে।  এদিকে আবার শমভু মুর্ম-র বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন হীরামুনি টুডু-র ছেলে।

দিন কয়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুরের সুতাহাটায় স্ত্রী পরকীয়া সম্পর্কে কারণে খুন হন এক যুবক। বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার হয় তাঁর রক্তাক্ত দেহ। পরিবারের দাবি, কলেজে পড়তে গিয়ে স্বামীরই এক বন্ধুর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মৃতের স্ত্রী। ঘটনাটি জেনে গিয়েছিলেন মৃত যুবক। তাই প্রেমিকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে তাঁকে খুন করে স্ত্রীই।