মুর্শিদাবাদে বেআইনি আইসক্রিম কারখানায় বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের মারা গিয়েছেন একজন। গুরুতর আহত ২। তাঁরা ভর্তি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। কিন্তু আইসক্রিম কারখানায় কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল? তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তে নেমেছে সুতি থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরাও।

চারদিকে নোংরার স্তুপ। তারই মাঝে একটি পুরানো বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল এক আইসক্রিম কারখানা। মুর্শিদাবাদের সুতির সেই আইসক্রিম কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনওরকম লাইসেন্স ছাড়াই পুরনো ওই বাড়িতে আইসক্রিম কারখানা চালাচ্ছিলেন লুৎফুর রহমান। বেশ কয়েকজন শ্রমিক কাজ করতেন ওই কারখানায়। যখন বিস্ফোরণ ঘটে, তখন কারখানায় ছিলেন মালিকও। আশেপাশের লোকজন জানিয়েছেন, অন্যন্য দিনের মতোই বৃহস্পতিবার সকালে আইসক্রিম কারখানায় কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। আচমকাই বিকট শব্দে কেঁপে উঠে গোটা এলাকা।  ঘটনাস্থলেই মারা যান হালসানা ধুলু নামে কারখানার এক শ্রমিক। গুরুতর আহত হন কারখানা মালিক  লুৎফুর রহমান ও আরও একজন শ্রমিক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সুতি থানার পুলিশ। ধুলিয়ান থেকে আসে দমকলের দুটি ইঞ্জিনও।  আহতদের উদ্ধার প্রথমে ভর্তি করা হয় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়া পরে দু'জনকেই স্থানান্তরিত করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।

কিন্তু আইসক্রিম কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটল কীভাবে? স্থানীয়  বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, আইসক্রিম তৈরির আড়ালে ওই কারখানায় নানা অসামাজিক কাজও চলত। দুষ্কৃতীদে আনাগোনা ছিল। তারাই সম্ভবত কারখানায় বিস্ফোরণ মজুত করে রেখেছিল। তা থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে।