দখল পার্টি অফিস পুনরুদ্ধারে এসে একেবারে তৃণমূলের বিধায়কের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা উস্কে দিলেন মুকুল রায়।  এদিন বারাবনির বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় ও বারাবনি ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অসিত সিং-এর নাম করে তিনি বলেন,ক্ষমতায় থাকাটা তোমাদের এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তোমরা যখন জানো রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে। তোমাদের এই দলে নাম লেখানোর জন্য লাইন দিতে হবে,তখন কেন এসব সন্ত্রাস করছ। 

এদিন বারাবনি গৌরাণ্ডি হাটতলার কাছে গিয়ে ভাঙচুর হয়ে যাওয়া বিজেপির পার্টি অফিস ঘুরে দেখেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। সেখানে নতুন করে দলীয় পতাকা তুলে দেন তাঁরা। গৌরাণ্ডি হাটতলা মোড়ে ছোট্ট সমাবেশ করে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক, ব্লক সভাপতি ও বারাবনি থানার ওসির নাম করে হুঁশিয়ারি দিয়ে যান বিজেপির  দুই নেতা।

মুকুল রায় তাঁর বক্তব্যে বলেন আমি শুনলাম বারাবনির ওসির সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনা ভারতবর্ষের কোথাও হয় না। শুধুমাত্র হচ্ছে পশ্চিমবাংলায়। সভা থেকে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে মুকুল রায় বলেন, বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের মেয়াদ আর একটি বছর। তাই আপনারা আইনকে সম্মান করে মানুষের হয়ে কাজ করুন। তৃণমূলের তাবেদারি বন্ধ করুন। পাশাপাশি এদিন মুকুলবাবু কেন্দ্রের স্বচ্ছভারত, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাগুলিকে রাজ্য সরকার বাংলার প্রকল্পের নামে চালিয়ে নিচ্ছে তারও নিন্দা করেন। 

যদিও বিজেপিতে নাম লেখানো প্রসঙ্গে মুকুল রায়ের বক্তব্যের জবাবে বারাবনির বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় বলেন, পাগলে কিনা বলে। হেরে যাওয়ার ভয়ে উনিই পাগলের প্রলাপ বকছেন। তৃণমূল ব্লক সভাপতি অসিত সিং বলেন, ওই পার্টি অফিস আমরা ভাঙিনি, দখলও করিনি। ওদেরই গোষ্ঠীদ্বন্ধে ওই ঘটনা ঘটেছে। ৯৮ সাল থেকে আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে পার্টি করছি। আমরা ছেড়ে যাইনি। যাব না কোনওদিন। মুকুল রায় হয়তো তৃণমূলে ফিরে আসবেন। অন্তত ভাটপাড়া দেখে তাই মনে হচ্ছে।