রাজ্যপালের অপমানের সুর এবার মুকুলের গলায় রাজ্যাপালের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত মুখ্য়মন্ত্রীর   নদিয়ায় বিজেপির গান্ধী সংকল্প যাত্রায় বললেন মুকুল সাংবিধানিক প্রধানকে এভাবে অপমান সহ্য়ের অতীত  

রাজ্যপালের অপমানের সুর এবার মুকুলের গলায়। রাজ্য়ের সাংবিধানিক প্রধানকে অপমানের জন্য মুখ্য়মন্ত্রীর রাজ্যাপালের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। নদিয়ায় বিজেপির গান্ধী সংকল্প যাত্রায় এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সম্প্রতি দুর্গা কার্নিভাল নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। দুর্গাপুজোর কার্নিভালে তাঁকে অপমান করার অভিযোগ তোলেন রাজ্যের প্রসাসনিক প্রধান। মুখে মমতার নাম না করলেও তাঁর নিশানায় যে মুখ্য়মন্ত্রী, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গত ১১ অক্টোবর রেড রোডে দুর্গা পুজোর কার্নিভালে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন রাজ্য়পাল। ধনখড়ের অভিযোগ,তাঁকে রেড রোডে আমন্ত্রণ জানিয়ে ৪ঘণ্টা ব্ল্যাক আউট করে রাখা হয়। সংবাদ মাধ্য়মে অনুষ্ঠানের যে ভিডিয়ো দেখানো হয়েছে তাতেও বাদ রাখা হয়েছে ধনখড়কে। যেহেতু রাজ্য সরকারের তরফে সংবাদ মাধ্যমে অনুষ্ঠানের ফিড দেওয়া হয়েছে সেখানে রাজ্যপালের ভিডিয়ো দেওয়াই হয়নি।

ধনখড়ের অভিযোগ, কার্নিভালে আমন্ত্রণ করে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা হয়েছে তাঁকে। কেন তাঁকে এভাবে অপমান করা হল তা জানতে সাংবাদিকদের প্রশ্ন তুলতে বলেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, বাংলা সংস্কৃতির পীঠস্থান। সেখানে তাঁর মতো পদ মর্যাদার ব্যক্তিকে এহেন আচরণ সহ্য করতে হবে কেন? ইতিমধ্যেই যার উত্তরে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়। সাংবাদিকরা রাজ্যপালের অভিযোগ নিয়ে মন্তব্য করতেই বিরক্ত বোধ করেন তিনি। পার্থবাবু বলেন, রাজ্য়পাল যা বলছে তাই আমাদের উত্তর দিতে হবে , এরকম কোনও মানে আছে। তিনি বলছেন, বলতে দিন। 

এদিন তৃণমূলের উত্তরের জবাব দেন মুকুল রায় । তিনি বলেন, রাজ্যপাল ঠিক বলেছেন। নিশ্চিন্তে এটা অন্যায়। রাজ্যপাল রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তাকে ডাকলেনই বা কেন, আর অপমানই বা করলেন কেন? রাজ্যপালের কাছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমা চাওয়া উচিত। এই বলেই অবশ্য় থেমে থাকেননি বিজেপির ওজনদার নেতা। তাঁর মতে, বাংলার গণতন্ত্র এবং লোকতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এদিন নদিয়া উত্তরের বিজেপি সংগঠনের পক্ষ থেকে সংকল্প অভিযানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সংকল্প গণতন্ত্র রাখার একটি অঙ্গ।গান্ধীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ জীবন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর সেই গণতন্ত্রের মূলে এই কুঠারাঘাত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলায় গণতন্ত্র বলে কিছু নেই।