যেতে চাইতেন অনেকেই। কিন্তু যাতায়াতের ঝক্কির কথা ভেবেই এতদিন বকখালি বেড়ানোর সাধ পূরণ করতে পারতেন না বহু পর্যটক। এবার সেই সমস্যা অনেকটাই মিটল। কলকাতা থেকে সরাসরি বকখালি যাওয়ার জন্য বাস পরিষেবা শুরু করেছে রাজ্য পরিবহণ নিগম। শনি এবং রবিবার চলছে একটি সরকারি এসি বাসও। 

এতদিন বকখালি পর্যন্ত কলকাতা থেকে দু' টি সরকারি বাস থাকলেও তাতে যাতায়াতের সময় লাগত অনেকটা বেশি। কারণ নামখানায় বার্জে করে সেই বাসকে হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদী পেরোতে হতো। কলকাতা থেকে গাড়িতে গেলেও একইভাবে বার্জে করে নদী পার হতে হতো। আর ট্রেনে করে নামখানা পর্যন্ত গেলে প্রথমে ভুটভুটিতে নৌকা পেরিয়ে তবেই মিলত বকখালির বাস। এই সমস্যার জন্যই বকখালমুখী হতেন না অনেকে। 

আরও পড়ুন- দিঘা-মন্দারমণি নয়! সস্তায় ও নিরালায় ছুটি কাটাতে যান জুনপুট ও বাঁকিপুট

অথচ সমু্দ্র, ঝাউবন, নিরিবিলি সৈকত মিলিয়ে বকখালির আকর্ষণ কোনও অংশে কম নয়। মাস চারেক আগে হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর উপরে নতুন সেতু তৈরি হয়েছে। সেই সেতু দিয়েই এখনগত ১ জুন থেকে কলকাতা এবং বকখালির মধ্যে এগারোটি নতুন সরকারি নন- এসি বাস চালু হয়েছে। প্রতিটি বাসই বকখালি গিয়ে ফের কলকাতায় ফেরে। একটি এসি বাসও শনি এবং রবিবার কলকাতা থেকে বকখালির মধ্যে চলাচল করছে। 

এছাড়াও  কলকাতা থেকে নামখানা পর্যন্ত যে বেসরকারি বাসগুলি চলত, সেগুলিও বকখালি পর্যন্ত যাচ্ছে। কাকদ্বীপ  থেকেও সরাসরি বাস যাচ্ছে বকখালিতে। বকখালি থেকে কলকাতা ফেরার শেষ বাস ছাড়ে বেলা দুটোয়। পর্যটকদের দাবি এই সময়সীমা আর কিছুটা পিছনো হোক। 

নতুন বাস পরিষেবা শুরু হওয়ায় বকখালিতে পর্যটক সংখ্যাও বাড়ছে। কিন্তু এখনও বকখালিতে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে পর্যটকদের। প্রথমত, বকখালিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বেশ খারাপ। এটিএমের সংখ্যাও মাত্র একটি। ফলে হাতে নগদ টাকা না থাকলে সমস্যায় পড়েন পর্যটকরা।