করোনার মতো অতি সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে রেশন নিয়ে দুর্নীতি করা হচ্ছে। একইসঙ্গে করোনা আক্রান্ত রোগীদের তথ্য গোপন করা হচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতিতে রাজনীতি করছে রাজ্য সরকার। এই অভিযোগে শিলিগুড়ি মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে প্রতিকী অবস্থান করার লক্ষ্যে পা বাড়াতেই গ্রেপ্তার বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রবীন আগরওয়াল সহ বিজেপি নেতারা। পরে অবশ্য থানায় পৌঁছে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তারা৷ রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেন থানার অন্দরেই। 

রেশন নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে, সাধারণ মানুষ রেশন পাচ্ছে না ঠিকঠাক। তা নিয়েই সরব হয়েছে বিজেপির কর্মকর্তারা। রাজ্য জুড়ে চাল চুরি এছাড়া কোরোনা নিয়ে নানান টালবাহানা। এসবের প্রতিবাদ জানাতে ও স্মারকলিপি জমা দিতে এদিন মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তারা। পরবর্তীতে প্রধাননগর থানার পুলিশ এসে আটক করেন তাদের। আটক করা হয় বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রবীন আগরওয়াল, সাধারণ সম্পাদক রাজু সাহা, সহ সভানেত্রী শ্রীমতী বানি পাল, সম্পাদক কানহাইয়া পাঠক ও প্রসেনজিৎ পাল এবং ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মালতি রায়কে। আটকের পর থানায় বিক্ষোভে বসেন বিজেপি নেতৃত্বরা। 

বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রবীন আগরওয়াল জানান, "রাজ্য জুড়ে মৃতদেহ লোপাট করা হচ্ছে। গরিব মানুষ রেশন পাচ্ছে না। কেন্দ্র থেকে আসা খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে না তাদের। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে সাহায্য করা হয়নি। করোনা নিয়েও তথ্য গোপন করা হচ্ছে। এই সবের বিরুদ্ধেই আমরা পথে নেমেছি। তবে নিয়ম মেনে। 

এবিষয়ে কটাক্ষ করে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, লকডাউন পর্বে রেড জোন এলাকায় এভাবে বিক্ষোভে সামিল হয় অনুচিত। এটা ঠিক হয়নি। প্রধানমন্ত্রী একদিকে লকডাউন নিয়ে মানুষকে পাঠ পড়াচ্ছেন, অন্যদিকে তারই দলের লোকেরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন৷