অভিযোগ ছিলই, ভাটাপাড়া গুলিকাণ্ডে এবার বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ মামলা দায়ের করল পুলিশ। সাংসদের পাল্টা দাবি, সবাই জানে, তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের কার্যকলাপে তাঁর কিছু যায় আসে না।

আরও পড়ুন: 'কোভিড নিয়েও রাজনীতি করব, দম থাকলে আটকান', জঙ্গল মহল থেকে সকাল সকাল দিলীপের তোপ

বুধবারের ঘটনা। সেদিন সকালে ভাটাপাড়ায় আর্যসমাজ মোড়ে একটি কারখানার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা ধর্মেন্দ্র সিং ওরফে ধরুয়া।  আচমকাই কয়েক দুষ্কৃতী এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ধর্মেন্দ্র। এরপর চোখের নিমেষে এলাকা থেকে চম্পট দেয় হামলাকারীরা। আক্রান্তকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ঘটনার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা রুজু করেছে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ।

তৃণমূল নেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় অর্জুন সিং-এর নাম জড়ালো কীভাবে? জানা গিয়েছে, একসময়ে অর্জুন-এর অনুগামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন ধর্মেন্দ্র। এমনকী, অর্জুন যখন বিজেপিতে যোগ দেন, তখন দল বদলে ফেলেন তিনিও। কিন্তু অল্পদিনের ব্যারাকপুরের সাংসদের সঙ্গে দুরত্ব বাড়ে এবং ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন ধর্মেন্দ্র। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি ছাড়ার পর ফোনে একাধিকবার তাঁকে হুমকি দিয়েছে খোদ অর্জুন সিং, তাঁর ভাইপো পাপ্পু সিং ও তাঁদের অনুগামীরা। অর্জুন সিং-ই লোক লাগিয়ে ধর্মেন্দ্রকে খুনের চেষ্টা করেছেন।  

আরও পড়ুন: পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদ, আটক কমপক্ষে ৩৬ আহত ২০

কী বলছেন ব্যারাকপুরের সাংসদ? তিনি বলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ ৮৭টি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে। এটা নিয়ে ৮৮টা হল। যে জায়গায় ঘটনা ঘটেছে, সেখানে সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে। পুলিশ চাইলে এক মিনিটে দুষ্কৃতীদের ধরে ফেলতে পারে।