দাবি মতো ২০ শতাংশ বোনাস মেলেনি। তারই প্রতিবাদে দেবীর বোধনকালেই পাহাড়জুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্ ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল বিভিন্ন চা শ্রমিক সংগঠন। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুসারে শুক্রবার সকাল থেকে দার্জিলিং জুড়ে শুরু হয় ১২ ঘণ্টার বন্ধ।

বনধের জেরে কার্যত নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে পাহাড়। দেখা যায়নি পুজোর উল্লাস। বনধের সমর্থনে বন্ধ সিংহভাগ দোকানপাট। থমকে গিয়েছে একাধিক যাত্রীবাহী গাড়ি। ফলত সমস্যায় পড়েছেন পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ পাহাড়বাসী। তবে এদিনের বনধকে ঘিরে যাতে কোনও প্রকার অশান্তি  না হয় সেদিকে নজর দিয়েছে প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। বনধের সমর্থনে চা শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নেওয়া না হলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে। পাশাপাশি চলবে তাঁদের অনশন কর্মসূচি। উত্তরে পাহাড়ে যখন এই অবস্থা তখন দক্ষিণে সমতলে পুজোর উৎসবে মেতেছে সবাই। মণ্ডপ জুড়ে শুধুই ভিড়ের মাতামাতি। আলোর রোশনাইয়ে সেজেছে শহর, মফসসল।