এ যেন রেল লাইনের পাশে সাক্ষাৎ মরণফাঁদ। শেওড়াফুলি স্টেশনের কাছে একই জায়গায় পর পর দু' দিনে তিন জনের মৃত্যু হল। সোমবারের পর মঙ্গলবারও ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক যাত্রীর। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃত ওই যুবকের নাম শেখ মারু। তিনি হুগলির শ্রীরামপুরের বাসিন্দা। রেল পুলিশ সূত্রে খবর, বছর তিরিশের ওই যুবক আইসক্রিম সরবরাহকারী সংস্থায় কাজ করতেন। চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোয় আইসক্রিমের স্টল থেকে টাকা সংগ্রহ করতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড় থাকায় পিঠে ব্যাগে দরজায় ঝুলছিলেন ওই যুবক। শ্যাওড়াফুলি এবং বৈদ্যবাটি স্টেশনের মাঝে আপ লাইনের পাশে থাকা রেলের একটি পরিত্যক্ত কেবিনে ধাক্কা খেয়ে ওই যুবক ট্রেন থেকে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। 

এ দিন যেখানে ওই যুবক ট্রেন থেকে পড়ে যান, সোমবার সেই একই জায়গায় ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু হয় দুই যুবকের। সেক্ষেত্রেও ওই পরিত্যক্ত কেবিনে ধাক্কা লেগেই দুই যুবক পড়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। সোমবার মৃত দুই যুবকের নাম ভিকি সিং এবং সুবীর কুন্ডু। তাঁরা চুঁচুড়া এবং বরানগরের বাসিন্দা। রেল যাত্রীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রেল লাইনের গা ঘেঁষে ওই পরিত্যক্ত কেবিনটি বিপজ্জনকভাবে থাকলেও, তা ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেয়নি রেল। যে কারণে ভিড় ট্রেনের গেটে ঝুলতে থাকা যাত্রীরা বার বার দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। এ বিষয়ে এখনও রেল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।