সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর থেকেই একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে। এই প্রসঙ্গে এশিয়ানেট নিউজ বাংলার পক্ষ থেকে আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্পষ্টই জানান এই তথ্য পুরোপুরি ঠিক নয়।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানো হবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। শীর্ষ আদালতের এই রায়ের পর থেকেই শোরগোল পড়ে যায় বিভিন্ন মহলে। সমস্ত নিয়োগ দুর্নীতি মামলা বিচারপতির এজলাস থেকে সরানো হলে এর আগে যে সব মামলায় তিনি রায় দিয়েছেন সেই মামলাগুলির ভবিষ্যত তবে কী হতে চলেছে? উঠছে প্রশ্ন। অবশেষে এই বিষয় মুখ খুললেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তিনি স্পষ্টই জানিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সমস্ত মামলা নয়, শুধু মাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংক্রান্ত মামলাটিই (ধৃত তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত) কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর থেকেই একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে। এই প্রসঙ্গে এশিয়ানেট নিউজ বাংলার পক্ষ থেকে আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্পষ্টই জানান এই তথ্য পুরোপুরি ঠিক নয়। তিনি বলেন,'শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংক্রান্ত মামলাটি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি মামলাগুলি যেমন চলছিল চলবে।' তিনি আরও বলেন,'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর থেকে রক্ষাকবচ তুলে নেওয়া হয়েছে। সিবিআই চাইলে যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতার করতে পারবে তাঁকে। অর্থাৎ যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়, তবে শুধুমাত্র সেই মামলার শুনতে পারবেন না বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।' আইনজীবী জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত কমপক্ষে ২২টি মামলা চলছে। সেগুলিতে এই রায়ের কোনও প্রভাব পড়বে না।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলার বেঞ্চ থেকে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে সরানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাতকার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল বিচারপতির বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনার বিরোধিতায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পিএস নরসিমার ডিভিশন বেঞ্চের সামনে বিষয়টি শুনানির জন্য আসে। অবশেষে শুক্রবার এই মামলা থেকে বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়কে সরানোর নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। আপাতত কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে এই মামলা শোনার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।