মদ্যপ স্বামীর অত্যাচার সহ্য় হচ্ছে না। বাধ্য় হয়ে স্বামীকে মেরে পরিবারের সদস্য়দের খবর দিলেন স্ত্রী। ঘটনা শুনে অবাক আরামবাগের উপশালঝাড় গ্রাম।

খুন করে পালিয়ে যাননি। উল্টে নিজেই খবর দিলেন পরিবারের কাছে। কারা যেন স্বামীকে মেরে ঘরের দাওয়ায় ফেলে দিয়ে গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গোঘাট থানার পুলিশ।পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পাঠায়। পরে অবশ্য পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে আসল খবর।

অপহরণের গল্প ফেঁদে প্রেমিকের সঙ্গে রাত্রিবাস স্ত্রীর, স্বামীর এফআইআর-এ ঝুলি থেকে বেরলো বেড়াল 

অভিয়ুক্ত নিজেই জানান, নিত্যদিন মদ খেয়ে সংসারে অশান্তি করতো আর তাঁকে মারধোর করতো । এর জেরে তপনের আগের স্ত্রী পালিয়ে যায় । এরপর আমাকে বিয়ে করে । কিন্তু এই অত্যাচার আর আমি সহ্য করতে না পেরে গতকাল রাতে হাতের কাছে একটা কাটারি পেয়ে তার বাঁট দিয়ে তপনের মাথায় আঘাত করি । কিন্তু ওকে আমি মারতে চাইনি । আমি ওর হাত থেকে রক্ষা পেতে চেয়েছিলাম । কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে স্বামী মারা যায় ।

খবর শুনে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না আত্মীয় স্বজনরা। কিন্তু বাড়ি পৌঁছে ঘরের মেয়ের কাণ্ড দেখে হতবাক হলেন সবাই। কিন্তু মেয়ে যে এরকম করতে পারে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না প্রতিবেশীরা। পুলিশ জানায়,মৃতের নাম তপন দাস (৩৪)।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় স্ত্রী সোমা দাসের। এরপরই খুনের ঘটনা ঘটেছে। 

'সানার পোস্ট সত্যি নয়, ওকে এসব থেকে দুরে রাখুন', টুইট করলেন সৌরভ

ঘটনার পরই তপন দাসের স্ত্রী সোমা দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে খুনের ঘটনাটি স্বীকার করেছে স্ত্রী। পরে আরামবাগ কোর্টে সোমাকে হাজির করা হলে তিনদিনের পুলিশ হেফাজত দেন বিচারক।