Electric Two Wheelers: ১০ জনের মধ্যে ৪ জনেরই পছন্দ ই-স্কুটার, ভারতে হু হু করে বাড়ছে বিক্রি!

Published : Oct 29, 2026, 10:04 AM IST

ভারতীয়রা পেট্রোল বাইক ছেড়ে এখন ইলেকট্রিক টু-হুইলারের দিকে ঝুঁকছেন। প্রতি মাসে ১.৮০ লাখ নতুন ক্রেতা ই-স্কুটার কিনছেন। বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ (BCG)-এর নতুন রিপোর্টে উঠে এল এমনই চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান।

PREV
18

ভারতের রাস্তায় আগামী কয়েক বছরে এক বিরাট নীরব বিপ্লব হতে চলেছে। আপনার পরের টু-হুইলার কী হবে? এই প্রশ্নের জবাবে প্রায় অর্ধেক ভারতীয় চোখ বুজে ইলেকট্রিক গাড়ির কথাই বলছেন। বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ (BCG)-এর 'ইলেকট্রিক ইন চার্জ' নামের নতুন রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয়দের টু-হুইলার কেনার স্বপ্ন কতটা দ্রুত বদলে যাচ্ছে।

28

গত অর্থবর্ষে ভারতে প্রায় ২.২১ কোটি টু-হুইলার বিক্রি হয়েছে। ২০২৪ সালে যেখানে ৩০% মানুষ ই-স্কুটার কেনার কথা ভেবেছিলেন, এখন সেই সংখ্যা একলাফে বেড়ে ৪৩% হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, 'ইলেকট্রিক গাড়ি নেবই না' বলা মানুষের সংখ্যা ৩৮% থেকে কমে ২৯% হয়ে গিয়েছে।

38

একসময় মানুষের ধারণা ছিল ইলেকট্রিক স্কুটার মানেই স্পিড কম, প্লাস্টিকের বডি আর দেখতেও ভালো নয়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি একেবারে উল্টো। মাত্র ২.৭ সেকেন্ডে ০ থেকে ৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্পিড তুলে পেট্রোল গাড়িকেও টেক্কা দিচ্ছে নতুন ই-স্কুটারগুলো।

48

ই-স্কুটারের ডিজাইনের প্রতি মানুষের পছন্দ ৩০% থেকে বেড়ে ৫৯% হয়েছে। বড় কোম্পানিগুলো বাজারে আসায় ব্র্যান্ডের ওপর ভরসাও ২৮% থেকে বেড়ে ৪৬% হয়েছে। পেট্রোলের খরচ বাঁচানো, কম মেনটেন্যান্স আর ডিজিটাল স্ক্রিনের মতো ফিচারের কারণে ক্রেতারা এখন দারুণ খুশি।

58

ইলেকট্রিক টু-হুইলারের মার্কেট শেয়ার ৫.৫% থেকে একলাফে ৯.৯% হয়ে গিয়েছে (শুধু স্কুটারের ক্ষেত্রে এটা ২৪.১%)। অটোমোবাইল ডিলার ফেডারেশন (FADA)-এর তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এর পেনিট্রেশন ১১.৫৮% ছুঁয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ১.৮০ লাখ নতুন ক্রেতা ইলেকট্রিক গাড়ির দুনিয়ায় পা রাখছেন। প্রায় ১,৬০০ ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে BCG নতুন ভারতীয়দের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে দুটি নতুন ক্যাটাগরি খুঁজে পেয়েছে।

68

প্রথম ক্যাটাগরি হল 'ট্রিপ ম্যাক্সিমাইজার' (Trip Maximizers)। ফুড ডেলিভারি এবং কুইক-কমার্স ডেলিভারি বয়রা এই দলে পড়েন। এঁদের কম খরচে, টেকসই এবং জ্যামের মধ্যে দ্রুত যাওয়ার মতো গাড়ি দরকার। (ভারতের কুইক-কমার্স মার্কেট ০.৭৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে)।

78

দ্বিতীয় ক্যাটাগরি হল 'রিল্যায়াবল ইয়েট রিফাইন্ড' (Reliable yet Refined)। ছোট শহরের 'জেন-জি' (Gen Z) ছেলেমেয়েরা এই দলে পড়েন। এঁরা এমন গাড়ি চান যা ভাঙাচোরা রাস্তায় চলবে, বেশি মাইলেজ দেবে, আবার কলেজে নিয়ে যাওয়ার মতো স্টাইলিশও হবে।

88

ক্রেতাদের এই আগ্রহকে পুরোপুরি বিক্রিতে বদলাতে কোম্পানিগুলোকে এখনও কিছু বিষয়ে ভরসা জোগাতে হবে। একবার চার্জ দিলে গাড়ি ঠিক কতটা চলবে? রাস্তায় খারাপ হলে কি সঙ্গে সঙ্গে সারানো যাবে? পুরনো পেট্রোল গাড়ির মতো ভবিষ্যতে কি ভালো দামে বিক্রি করা যাবে? অটোমোবাইল কোম্পানিগুলো এই প্রশ্নগুলোর সঠিক গ্যারান্টি দিতে পারলেই ভারতের সব রাস্তা ইলেকট্রিক গাড়িতে ভরে উঠবে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories