মহামারি থেকে বাঁচুক বিশ্ব, ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ৩৩০০ কোটি দান করলেন এই ভারতীয় শিল্পপতি

Published : Jul 10, 2020, 09:38 PM ISTUpdated : Jul 10, 2020, 09:42 PM IST
মহামারি থেকে বাঁচুক বিশ্ব, ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ৩৩০০ কোটি দান করলেন এই ভারতীয় শিল্পপতি

সংক্ষিপ্ত

বিশ্বজুড়ে মহামারির কারণে ত্রাহি ত্রাহি রব বাঁচার জন্য ভ্যাকসিনের দিকে তাকিয়ে সকলে এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে এলেন এক ভারতীয় শিল্পপতি গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার জন্য দান করলেন বিপুল অর্থ

গত ৬ মাসে বিশ্বে অতিমারীর পরিস্থিতি তৈরি  করেছে করোনা ভাইরাস। গোটা দুনিয়ার ১ কোটি ২৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই মারণ ভাইরাসে। কোভিড ১৯ রোগি ৫ লক্ষ ৫৮ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়েছে। এই মারণ ভাইরাসের থেকে নিস্তার পাওয়ার একমাত্র উপায় হল ভ্যাকসিন। আর সেই ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে দিনরাত এক করে পরীক্ষা চালাচ্ছেন বিশ্বের নানা প্রান্তের গবেষকরা। কিন্তু এই গবেষনা চালাতে প্রয়োজন প্রচুর অর্থের। আর সেই অর্থএর যোগান দিতেই এগিয়ে এলেন এক ভারতীয় শিল্পপতি। মানবজাতিকে বাঁচাতে ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ৩,৩০০ কোটি টাকা দান করলেন লক্ষ্মী মিত্তল।

আরও পড়ুন: অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন আসতে আর কতদিন লাগবে, সময় জানিয়ে দিলেন গবেষকরা

জানা যাচ্ছে, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ভারতীয় শিল্পপতি দান করেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিনোলজি বিভাগকে। এই বিভাগটি জেনার ইনস্টিটিউটের অন্তর্গত। লক্ষ্মী মিত্তলের এই বিপুল অনুদানের পর অক্সফোর্ডের এই ইনস্টিটিউটের নামও পাল্টে  দেওয়া হয়েছে। নতুন নাম হয়েছে, লক্ষ্মী মিত্তল অ্যান্ড ফ্যামিলি প্রফেসরশিপ অফ ভ্যাকসিনোলজি। 

 ২০০৫ সালে অক্সফোর্ড ও ইউকে ইনস্টিটিউট ফর অ্যানিম্যাল হেলথের যৌথ অংশীদারিতে তৈরি হয়েছিল জেনার ইনস্টিটিউট। বর্তমানে বিশ্বের যে কটি ভ্যাকসিনকে নিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 'হু'-ও অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে এই ভ্যাকসিনের দিকেই। আর সেই ভ্যাকসিনের কাজই  যাতে দ্রুত গতিতে শেষ করা যায়, তার জন্যেই বিপুল অনুদান দিলেন লক্ষ্মী মিত্তল।

আরও পড়ুন: আনলক ভারতে বেড়েই চলেছে সংক্রমণ, ফের সম্পূর্ণ লকডাউনের পথেই ফিরল পুনে

তবে আশার কথা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কোভিড ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের চূড়ান্ত পর্বে রয়েছে। ChAdOx1 ভাইরাস থেকে তৈরি করা হয়েছে  ভ্যাকসিনটি। আর এই ভাইরাস থেকেই শিম্পাঞ্জিদের মধ্যে সংক্রমণ হয়। তবে বংশপরম্পরায় এটি পরিবর্তিত হয়ে যায়। ফলে মানুষের শরীরে কোনও সংক্রমণ হয় না। 

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের প্রধান প্রফেসর অ্যান্ড্রু পোলার্ড জানিয়েছেন, 'এই ভ্যাকসিন নিয়ে আমরা প্রচন্ড আশাবাদী। তবে এই ট্রায়াল সফল হলেও ৬ মাসরে আগে এই ভ্যাকসিন বাজারে আনা সম্ভব নয় বলেই জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে চলতি বছরের শেষে ভ্যাকসিনটি উপলব্ধ হবে পারে।  তবে আর্থিক দিক থেকে ভ্যাকসিন তৈরির কাজে যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই কারণেই ভারতীয় শিল্পপতি  লক্ষ্মী মিত্তল এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য করলেন। ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে মহামারি থেকে মানুষকে বাঁচাতে লক্ষ্মী মিত্তলের এই উদ্যোগ স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

PREV
click me!

Recommended Stories

US-Iran Conflict: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধে কে জিতল? মিডিয়া সার্ভেতেই সব পরিষ্কার!
Bilateral Trade Agreement: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কথা বলতে জুনে ভারতে আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল