
ভোটে জিতলে বছরে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সঙ্কটের মধ্যেও এলপিজি বা রান্নার গ্যাস নিয়ে বিরাট এক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
যদিও ২টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণত ওই দলগুলি ১০ টি বা তার বেশি সিলিন্ডার দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এই প্রতিশ্রুতিগুলি মূলত মূল্যবৃদ্ধি মোকাবিলা এবং নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ভোটারদের আকর্ষণ করার জন্য দেওয়া হয়। একই সময় নির্বাচন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। আগামী ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে পশ্চিমবঙ্গেও। বর্তমানে তুঙ্গে প্রচার। প্রচারে ব্যস্ত সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি ও রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও। ইতিমধ্যেই নির্বাচনকে সামনে রেখে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে যেমন রয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। তেমনই রয়েছে বিরোধী দল বিজেপি। অন্যদিকে ভোট গণনা হবে মে মাসের ৪ তারিখে। এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে একটা নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা SOP জারি করেছে। আর সেই SOP মেনে না চলে পাঁচ জন এলপিজি সরবরাহকারীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
* প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষাপট: লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে মূল ইস্যু হিসেবে থাকে মূল্যবৃদ্ধি। রান্নার গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলি বিনামূল্যে বা কম দামে সিলিন্ডার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
* দলীয় ইশতেহার: তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) -এর মতো দলগুলি তাদের ইশতেহারে বছরে ১০টি পর্যন্ত ফ্রি সিলিন্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আবার, তামিলনাড়ুতে অন্য দলের তরফ থেকে বছরে ৬টি ফ্রি সিলিন্ডারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
* ভোটমুখী কৌশল: এই ধরনের প্রতিশ্রুতি ভোটারদের সরাসরি প্রভাবিত করে। বিজেপিও তাদের তৃতীয় মেয়াদে উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে পরিবারকে সুখী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
* বাস্তবায়ন ও সমালোচনা: সমালোচকদের মতে, এই ধরণের প্রতিশ্রুতি সরকারি কোষাগারের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেয়ে সাময়িক সুবিধাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
এই ধরনের প্রতিশ্রুতিগুলি ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে যখন রান্নার গ্যাসের দাম একটি সাধারণ মানুষের বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।