
Jharkhand Air Ambulance Crash: সোমবার সন্ধ্যায় ঝাড়খণ্ডে রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স জঙ্গলে ভেঙে পড়েছে। বিমানটিতে মোট সাতজন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে চাতরা জেলার সিমারিয়া থানা এলাকার করমতান্দ গ্রামের কাছে। জানা গিয়েছে, বিমানটি রাঁচি বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পরেই এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (ATC)-এর সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাঁচি বিমানবন্দরের ডিরেক্টর এই দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, চাতরার কাছেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ভেঙে পড়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রে জানা গিয়েছে। যাঁর মৃত্যু হয়েছে তাঁর নাম সঞ্জয় কুমার বলে অসমর্থিত সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই ব্যক্তির শরীরে আগুন ধরে গিয়েছিল। তাঁকে চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ই দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এই দুর্ঘটনার বিষয়ে এক বিবৃতিতে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের (Directorate General of Civil Aviation) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স সোমবার সন্ধে সাতটা বেজে ১১ মিনিটে রওনা হয়। সন্ধে সাতটা বেজে ৩৪ মিনিটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার আগে পর্যন্ত কলকাতার এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু এরপরেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় এই এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স বারাণসী (Varanasi) থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকার্য। তদন্তের জন্য এয়ারক্র্যাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর (Aircraft Accident Investigation Bureau) এক দল পাঠানো হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।