খেলা শুরু চিনের, কাশ্মীরের জঙ্গি সংগঠনকে অস্ত্র সরবরাহ-নজর মায়ানমার সীমান্তের দিকেও

Published : Aug 12, 2022, 07:52 AM IST
খেলা শুরু চিনের, কাশ্মীরের জঙ্গি সংগঠনকে অস্ত্র সরবরাহ-নজর মায়ানমার সীমান্তের দিকেও

সংক্ষিপ্ত

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, চিনের সহায়তায় জঙ্গি সংগঠনগুলো সীমান্তের ওপারে আরও সংখ্যায় বাড়ছে এবং কোনোভাবেই তাদের ঠেকানো যাচ্ছে না। অনেক ফ্রন্টে বেষ্টিত চিন, ভারতে অস্থিরতা ছড়ানো শক্তিকে সাহায্য করে ভারতের পরিস্থিতি জটিল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের সীমান্ত নিয়ে নতুন খেলা শুরু করেছে চিন। এবার লাদাখ নয়। মায়ানমার সীমান্তের দিকে নজর বেজিংয়ের। এরই সঙ্গে কাশ্মীরে অস্থিরতা ছড়ানোর পাকিস্তানের ঘৃণ্য পরিকল্পনায় চিন সরাসরি অংশীদার হয়ে উঠেছে। এদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর যে উপত্যকায় ক্রমাগত পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী এজেন্সির সঙ্গে চিনের জড়িত থাকার অনেক প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। পর্দার আড়ালে থেকে ক্রমাগত উপত্যকায় জঙ্গি সংগঠনগুলোর মনোবল বাড়াচ্ছে চিন। তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। একদিকে লাদাখ সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার জন্য একের পর এক আলোচনা, অন্যদিকে, ভারতেরই অন্য সীমান্তে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে চলেছে বেজিং।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, চিনের সহায়তায় জঙ্গি সংগঠনগুলো সীমান্তের ওপারে আরও সংখ্যায় বাড়ছে এবং কোনোভাবেই তাদের ঠেকানো যাচ্ছে না। অনেক ফ্রন্টে বেষ্টিত চিন, ভারতে অস্থিরতা ছড়ানো শক্তিকে সাহায্য করে ভারতের পরিস্থিতি জটিল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সে কারণে আন্তর্জাতিক মঞ্চে জঙ্গিদের সমর্থন করে চলেছে বেজিং। একই সঙ্গে আইএসআই-এর মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনগুলোর কাছে অস্ত্র ও সরঞ্জাম পরিবহন করছে।

বিএসএফের প্রাক্তন এডিজি পি কে মিশ্র বলেছেন, চিনা প্রযুক্তি, ড্রোন ও অস্ত্র পৌঁছে যাচ্ছে পাকিস্তানি জঙ্গিদের কাছে। একজন আধিকারিক বলেছেন যে চিনের উস্কানিতেই পাকিস্তান খারাপ আর্থিক অবস্থার মধ্যেও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে লালন-পালন করে চলেছে। সীমান্তের ওপারে জঙ্গি শিবিরের উপস্থিতি এবং সেখানে সক্রিয় জঙ্গিদের উপস্থিতি সম্পর্কে ভারতীয় সংস্থাগুলির কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য রয়েছে।

চিনা ড্রোন এবং প্রযুক্তি ব্যবহার
সূত্র জানায়, পাকিস্তানি জঙ্গিদের চিনের সাহায্যের জোরালো প্রমাণ রয়েছে। পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ড্রোন, এনকাউন্টারে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে চীনা অস্ত্র, সুড়ঙ্গে চিনা প্রযুক্তির ব্যবহার ইত্যাদি স্পষ্টতই চিনের জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়। এজেন্সিগুলি আইএসআইকে অস্ত্র, ড্রোন দেওয়ার জন্য চিন থেকে শক্তিশালী ইনপুট পেয়েছে।

তুরস্ক থেকে সাহায্য
পাকিস্তানও তুরস্কের কাছ থেকে অত্যাধুনিক ড্রোন ও অস্ত্র পাচ্ছে। এই ড্রোনগুলো রাত ও দিনের সব সময়েই অ্যাকশন করতে সক্ষম।

মায়ানমার সীমান্তে হস্তক্ষেপ
সংস্থাগুলির থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, পাকিস্তান সীমান্ত ছাড়াও, চিনা সেনা মায়ানমার সীমান্তে সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে সহায়তা করছে। চিনের সামরিক বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ এবং মায়ানমার সীমান্তে জঙ্গিদের আস্তানা দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে।

PREV
click me!

Recommended Stories

WhatsApp ব্যবহারকারীদের জন্য এবার কড়া নিয়ম আনতে চলেছে সরকার, ৬ ঘন্টা পর লগ-ইনের নির্দেশ
Rajya Sabha Elections 2026: রাজীব-কোয়েলদের পর এবার রাজ্যসভায় প্রার্থী মূত্ররোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ঘোষণা যে দলের