CJP Protest: সংসদ অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র দিল্লি! লাঠিচার্জের অভিযোগ, পুলিশের অফিসে মুখপাত্র সৌরভ দাস

Published : Jul 20, 2026, 12:33 PM IST

সোমবার সংসদ অভিযানের চেষ্টা করে CJP সমর্থকরা। পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তারা। এর মধ্যেই দলের মুখপাত্র সৌরভ দাসকে ডেপুটি কমিশনারের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সৌরভ জানিয়েছেন, প্রশাসনের সঙ্গে তাদের কথা চলছে।

PREV
18
যন্তর মন্তর থেকে সংসদ অভিযানের ডাক দিল CJP

সোমবার সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া এই মিছিল সংসদ ভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে বাধা দেয় দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা বাধা না মানায় দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা পরিস্থিতি।

28
বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জ

শত শত প্রতিবাদী যখন সংসদ ভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করছিলেন, তখন ভিড় সামলাতে পুলিশ হালকা লাঠিচার্জ করে। এর জেরে রাজধানীর একাধিক রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয় এবং যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

38
মুখপাত্র সৌরভ দাস ডেপুটি কমিশনারের অফিসে

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর দলের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাসকে ডেপুটি কমিশনারের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই তিনি সংবাদসংস্থা ANI-কে জানান, প্রশাসনের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা চলছে। তবে তাঁর অভিযোগ, প্রশাসন আলোচনার কথা বললেও তাদের তরফে কোনও স্পষ্টতা নেই। তিনি বলেন, "বল এখন ওদের কোর্টেই।"

48
বাদল অধিবেশনের আগে জারি কড়া নিষেধাজ্ঞা

২০ জুলাই থেকে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, নতুন দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে, যা আগে ফৌজদারি দণ্ডবিধির (CrPC) ১৪৪ ধারা নামে পরিচিত ছিল।

58
পাঁচ বা তার বেশি লোকের জমায়েতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, যন্তর মন্তরের নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া পাঁচ বা তার বেশি লোক নিয়ে মিছিল, বিক্ষোভ বা সমাবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিয়ম অমান্য করলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ২২৩ ধারা এবং অন্যান্য আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

68
অনুমতি ছাড়াই আয়োজিত হয় এই মিছিল, দাবি পুলিশের

দিল্লি পুলিশের স্পষ্ট বক্তব্য, এই মিছিলের জন্য আয়োজকরা কোনওরকম অনুমতি নেননি। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ তিপকে এবং অন্যান্য সমাজকর্মীদের নেতৃত্বে এই সংসদ অভিযানের আগেই গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল।

78
হাসপাতালে ভর্তি সোনম ওয়াংচুক, অনশন ভাঙার তিন শর্ত

এই আন্দোলনের অন্যতম মুখ সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তিনি অনশন ভাঙার তিনটি শর্ত জানান— সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় স্বীকার করলে, সাংসদরা সংসদে বিষয়টি তোলার আশ্বাস দিলে, অথবা স্বাস্থ্য অনুমতি না দিলে সাংসদরা হাসপাতালে গিয়ে একই আশ্বাস দিলে তিনি অনশন ভাঙবেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সফদরজং হাসপাতালে তাঁকে বেআইনিভাবে আটক করে রাখা হয়েছে এবং তাঁর চলাফেরা ও যোগাযোগের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

88
পরিবারের বার্তা— ‘আন্দোলন থেকে ফোকাস সরানো যাবে না’

সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো দিনের শুরুতে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দেন। ANI-কে তিনি বলেন, তাঁদের এই মিছিলের উপরই এখন মনোযোগ দিতে হবে। তিনি জানান, শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করাই মূল লক্ষ্য এবং শিক্ষার মতো জরুরি বিষয় থেকে ফোকাস সরানো চলবে না, সতর্ক থাকতে হবে সকলকে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories