
দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের বিক্ষোভ এবং আগামী ১০ অক্টোবরের CJP প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর জেরে রাজধানীর রেল যোগাযোগেও প্রভাব পড়েছে। নিউ দিল্লি রেল স্টেশনে যাওয়ার রাস্তায় বিধিনিষেধের কারণে ৫০০০-এরও বেশি যাত্রী নির্ধারিত ট্রেন ধরতে পারেননি। পাশাপাশি, নিউ দিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিনমুখী একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। দিল্লিতে ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছে। নিউ দিল্লি রেল স্টেশনে যাওয়ার একাধিক রাস্তায় বিধিনিষেধ আরোপের ফলে যাত্রীদের সময়মতো স্টেশনে পৌঁছতে সমস্যা হচ্ছে।
রেলের নির্দেশ অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর সকাল ৪টে থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত নিউ দিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছনোর কথা থাকা নির্দিষ্ট মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ৯ অক্টোবর দুপুর ২টোর পরে যাত্রা শুরু করে পরদিন ওই সময়ের মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছনোর কথা ছিল, এমন ট্রেনগুলি যাত্রার প্রারম্ভিক স্টেশন থেকেই বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ট্রেনের তালিকায় রয়েছে—হাওড়া–নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস (১২৩০১), শিয়ালদা–নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস (১২৩১৩)। দুটি ট্রেনই ৯ অক্টোবর যাত্রা শুরু করার কথা ছিল।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ৭ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল করার সময় কয়েকজন বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ৮ অক্টোবর বিরোধী সাংসদরা রাজঘাটে গিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। ১০ অক্টোবরের কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।