CJP Rajasthan: স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে রাজস্থানে পৌঁছে গেল সিজেপি। তখনই আক্রান্ত হন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা। এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন সিজেপি-র যুগ্ম আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা। তবে তারা আক্রান্ত হলেও উল্টে তাদের বিরুদ্ধেই এফআইআর রুজু করেছে পুলিশ। পাল্টা অবশ্য জবাব দিয়েছেন আশুতোষ রাঙ্কারাও। দুই পক্ষের অভিযোগই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। তাকে কেন্দ্র করেই দেশের নানা প্রান্তে বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করছে সিজেপি। গত ২১ অগাস্ট, শুক্রবার রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরের অন্তর্গত রামপুরা কানওয়ারপুরা গ্রামে একটি স্কুল পরিদর্শনে যায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদল। কিন্তু অভিযোগ, গ্রামে ঢোকার আগেই তাদের গাড়ি আটকানো হয়।
এরপর হাঁটতে শুরু করেন তারা। কিন্তু কয়েকজন গ্রামবাসী তাদের বাধা দেন বলে অভিযোগ। সেই সময়, সিজেপি-র সঙ্গে তাদের সংঘাত এবং উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যেই তো তারা এসেছেন। তাহলে আক্রমণ বা বাধা দেওয়া হচ্ছে কেন? পিছনে কি তাহলে অন্য কোনও রাজনৈতিক কারণ রয়েছে?
এই প্রসঙ্গে সিজেপি নেত্রী রেখা শর্মা জানিয়েছেন, “আমরা গোটা দেশেই স্কুল পরিদর্শন করছি। সেই সূত্রেই খবর আসে যে, জয়পুরে একটি গোয়ালঘরের মধ্যে সরকারি স্কুল চলছে। তারপরেই আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে আমাদের একটি দল সেই গ্রামে পৌঁছয়। কিন্তু প্রথমে আমাদের গাড়ি আটকানো হয়। তারপর হাঁটতে শুরু করি। তবে কয়েকজন সমাজবিরোধী আমাদের গালিগালাজ করতে শুরু করে। আমরা বারবার অনুরোধ করি। কারণ, বেশিরভবাগ গ্রামবাসীদের আমন্ত্রণেই আমরা সেই স্কুলটা দেখতে যাই। কিন্তু আমাদের দলের উপর চারদিক থেকে ইট এবং পাথর ছোড়া হয়। এমনকি, লাঠি নিয়েও হামলা চালানো হয়। সঞ্জু ভার্মা একজনের হাত ভাঙে এবং সলমন নামের একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমার চোখেও ধুলো ছোড়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ঘটনাগুলির ভিডিও রয়েছে।" তবে সেই ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা।
অন্যদিকে, কিছুটা হলেও চাপে রয়েছে রাজস্থান সরকার। কারণ, দিল্লির যন্তর মন্তরে ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাদের আন্দোলনের চাপেই ১২ বছরে এই প্রথম মোদী সরকারের কোনও মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান কার্যত, ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন। এবার সিজেপি-র নেতৃত্বরা রাজস্থানে গেছেন। আর সেখানে গিয়ে একের পর এক গ্রামে সরকারি স্কুল পরিদর্শন শুরু করেছেন। একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। আর তারপরেই বড় পদক্ষেপ নিল রাজস্থান সরকার। জানা যাচ্ছে, স্কুল পরিকাঠামোর উন্নয়নে আগামী তিন বছরে, ১২,৫০০ কোটি টাকা খরচ করবে রাজস্থান সরকার। জানা গেছে, ৬১১টি সরকারি স্কুলের কোনও নিজস্ব কোনও ভবনই নেই। এই বিষয়টি বিধানসভা হাউজে রিপোর্টও হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।