
CM Vijay: বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। সিনেমার জগত থেকে অবসর নিয়ে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে অবশেষে কুর্সিতে বসলেন বিজয়। কয়েক দিনের টানটান নাটকের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর কুর্সিতে বসলেন বিজয়। রবিবার সকালে দক্ষিণের এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে বাজিমাত করা 'ম্যাজিকম্যান'। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর পাশে বসে তামিল ভূমের কুর্সিতে বসলেন Vijay। তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছে কংগ্রেস। DMK-এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ত্যাগ করে হাত শিবির এবার যোগ দিল বিজয়ের সঙ্গে। ১২০ জন বিধায়কের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হলেন থালাপতি বিজয়। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি সমর্থন করল কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিএম, ভিসিকে ও আইইউএমএল। যে দলগুলির বেশিরভাগই ডিএমকে-র সঙ্গে জোট গড়ে এবারের ভোটে লড়েছিল।
তারকা হয়ে কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ না দিয়ে, আমির খানের 'রঙ দে বাসন্তি'সিনেমার স্টাইলে সিস্টেম বদলানোর ডাক দিয়ে ব্যাপক সাড়া পেয়ে কুর্সিতে বসলেন বিজয়। প্রথমবার ভোটের ময়দানে নেমেই একেবারে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে নজির গড়লেন বিজয়। বিপুল ভোটে পেয়ে অনেক আসনে জিতলেও নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে কিছুটা কম সংখ্যা ছিল তাঁর দল TVK-এর। ২৩৩ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গড়তে লাগে ১১৭জন বিধায়য়কের সমর্থন। সেখানে বিজয়ের দল জিতেছিল ১০৮টি আসনে। এটা নিয়ে কদিন ধরে তামিল রাজনীতিতে চলছিল জোর টানাপোড়েন। কংগ্রেসের ৫জন ও স্থানীয় একটি দলের ৩জন বিধায়কের সমর্থনের পরেও একটুর জন্য সরকার গড়ার সংখ্য়া ছিল না TVK-র। এরপরই বাম দলগুলি, ভিসিকে বিজয়ের সমর্থনে এগিয়ে আসে। সংখ্য়া জট কাটিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়।
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয় দুটি বড় কাজ করলেন। নির্বাচনে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি মত রাজ্যবাসীকে মাসে ২০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুত ও মহিলাদের জন্য বিশেষ বাহিনী গড়ার নির্দেশে সই করলেন। সেই সঙ্গে বিজয় স্বীকার করে নিলেন, রাজ্য সরকারের ওপর ১০ লক্ষ কোটি টাকার বিপুল ঋণের বোঝা রয়েছে। যে কারণে তার কাজ বেশ কঠিন। তিনি নিয়মিত শ্বেতপত্র প্রকাশ করে জনগণের কাছে তাঁর কাজ সরকারের স্বচ্ছতার হিসেব দেবেন বলেনও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়।