নির্ভয়ার দোষীদের ফাঁসি নিয়ে ফের তৈরি সংশয়, রাষ্ট্রপতির কাছে আবার প্রাণভিক্ষা অক্ষয়ের

Published : Feb 29, 2020, 07:40 PM ISTUpdated : Feb 29, 2020, 07:44 PM IST
নির্ভয়ার দোষীদের ফাঁসি নিয়ে ফের তৈরি সংশয়, রাষ্ট্রপতির কাছে আবার প্রাণভিক্ষা অক্ষয়ের

সংক্ষিপ্ত

ফের ক্ষমাপ্রার্থনা অক্ষয় ঠাকুরের রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জালান অক্ষয় আগের আবেদনে সব তথ্য ছিল না বলে দাবি রাষ্ট্রপতি আগেরবার ক্ষমার আর্জি খারিজ করে দেন

আগামী মঙ্গলবার নির্ভয়াকাণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা। আর মাত্র বাকি রয়েছে ৩ দিন। এর মধ্যে ফের ফাঁসি নিয়ে তৈরি হল জটিলতা। শনিবার ফের একবার রাষ্ট্রপতি রাননাথ কোবিন্দের কাছে  ক্ষমা প্রার্থনার আর্জি জানাল নির্ভয়াকাণ্ডের অন্যতম দোষী অক্ষয় ঠাকুর। যদিও এর আগেই রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ দোষীদের ক্ষমার আর্জি খারিজ করে দেন। এদিকে আগের আবদেন সব তথ্য না থাকাতেই তার মক্কেল নতুন করে রাষ্ট্রপতির কাছে এই আবেদন জানিয়েছে বলে দাবি করেছেন অক্ষয়া ঠাকুরের আইনজীবী।

আরও পড়ুন: করোনার থাবা এবার উত্তর কোরিয়াতেও, প্রথম আক্রান্তকে গুলি করে মারলেন কিম

অক্ষয়ের আইনজীবী এপি সিং দিল্লি আদালতকে জানান, এর আগে রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা আবেদন সম্পূর্ণ ছিল না। আবারো তাই পরিপূর্ণ ক্ষমার আবেদন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে  পাঠানো হয়েছে। এরআগে রাষ্ট্রপতি অক্ষয়ের পরিবারের অসম্পূর্ণ আবেদনের জন্য সেটি ফিরিয়ে দেন বলে দাবি করেন সিং।

 

 

গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ অক্ষয়ের ক্ষমার আবেদন খারিজ করেছিলেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির আদালত আগামী ৩ মার্চ, সকাল ৬টায় ৪ আসামির ফাঁসি কার্যকরের রায় দিয়েছে। এই নিয়ে মোট ৩ বার ৪ অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত।

আরও পড়ুন: দেশবাসীর স্বার্থ নিশ্চিত করা আমার কাজ, দিল্লি প্রসঙ্গ না তুলেও প্রয়াগরাজে বার্তা মোদীর

এদিকে নির্ভয়া মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আরেক অপরাধী পবন কুমার গুপ্ত যে কিউরেটিভ পিটিশন দাখিল করেছে, সোমবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এন ভি রামানার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে তার শুনানি হবে। ফলে মঙ্গলবার ফাঁসির সাজা কার্যকর হওয়া নিয়ে আরও একবার সংশয় তৈরি হয়েছে। ফের পিছিয়ে যেতে পারে ফাঁসি। 

PREV
click me!

Recommended Stories

দীর্ঘ ৬ বছরের অপেক্ষার অবসান, বাংলা নববর্ষে চালু হচ্ছে কলকাতা-কুনমিং বিমান
Assam Elections: অসমে ভোটের রেকর্ড, ৮৬% উপস্থিতি! উৎসাহিত বিজেপি বলছে, এটা পরিবর্তনের রায়