গত রবিবার থেকে জ্বলছে রাজধানী দিল্লি। হিংসা ছড়িয়েছে রাজধানীর উত্তর-পূর্ব ভাগের বিস্তির্ণ অংশে। এর মাঝেই ভারতে এসেছিলেন মার্তিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভারতে থাকার সময় দিল্লি নিয়ে চুপ থাকলেও ট্রাম্প যেতেই ট্যুইট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিবাসীর কাছে আবেদন করেছিলেন শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার। শনিবার উত্তরপ্রদেশ সফরে দিল্লির প্রসঙ্গ উল্লেখ না করলেও মানুষের মনে আস্থা ফেরাতে সক্রিয় হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রয়াগরাজে সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চে মোদী বলেন এটা সব কা সাথ, সব কা বিকাশের সরকার। এই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে আমার সরকার সব অংশের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করছে। দেশের প্রত্যেকটি মানুষের ন্যায় পাওয়া উচিত। আমার সরকারের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা। আমার সরকার দেশের সব অংশের উন্নয়েনর স্বার্থে কাজ করছে। ১৩০ কোটি দেশবাসীর স্বার্থ নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান কাজ।

আরও পড়ুন: যাত্রী ভর্তি বিমানে উড়ে বেরাচ্ছে জোড়া পায়রা, ভাইরাল হল ভিডিও

দিল্লিতে হিংসার পর উত্তরপ্রদেশই প্রথম রাজ্য যেখানে প্রধানমন্ত্রী পা দিয়েছেন। শুক্রবার থেকেই এই নিয়ে একাধিক ট্যুইট করেন মোদী। শনিবার প্রয়াগরাজে সরকারের একাধিক কর্মসূচির সূচনা করেন মোদী। চিত্রকূটে বুন্দেলখণ্ড সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

আরও পড়ুন: সম্প্রীতির নজির গড়লেন মুসলিম বাবা, মেয়ের বিয়ের কার্ডে ছাপালেন রাধাকৃষ্ণ ও গণেশের ছবি

এদিন প্রয়াগরাজে সামাজিক অখিকারিতা শিবিরে অংশগ্রহণ কে প্রবীণ নাগরিক ও প্রতিবন্ধীদের হাতে সমায়ক যন্ত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর মাঝেই বিশেষভাবে সক্ষম এক যুবকের সঙ্গে সেলফিও তোলেন তিনি। 

 

 

সামনেই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। সেকারণেই যোগী রাজ্যের দিকে একটু বেশি নজর দিচ্ছেন মোদী। দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্যে গড় টিকিয়ে রাখতে একাধিক পদক্ষেপও করছে বিজেপি সরকার। জোর দেওয়া হচ্ছে উন্নয়নের কর্মসূচিতে। আর উত্তরপ্রদেশের বৃহত্তম  অংশের ভোটর হল কৃষকরা। তাই চিত্রকূটে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার একবছর পূর্তি অনুষ্ঠানেও যোগদেন তিনি।