
Delhi Building Collapse Update: দক্ষিণ দিল্লির সত্য নিকেতন (Satya Niketan) অঞ্চলে রবিবার দুপুরে একটি পাঁচতলা ভবন ভেঙে পড়ে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ভেঙে পড়া ভবনটি একটি ছেলেদের পেয়িং গেস্ট ছিল। যা ‘হস্টেল ডেজ’ নামেও পরিচিত। ধ্বংসস্তূপের নীচে বেশ কয়েকজন, তাঁদের মধ্যে বহু পড়ুয়া, এখনও আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত নয়জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ধ্বংসস্তূপের নীচে ১৫ জনেরও বেশি মানুষ আটকে থাকতে পারেন। তবে প্রশাসনের তরফে এখনও এ বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি।
দিল্লির সাউথ ক্যাম্পাস অঞ্চলে অবস্থিত সত্য নিকেতন। এই অঞ্চলে একাধিক ছাত্রদের পেয়িং গেস্ট, হস্টেল এবং খাবারের দোকান আছে। সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর একটা বেজে ৩৪ মিনিট নাগাদ ভবন ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে পিসিআর কন্ট্রোল রুমে ফোন আসে। এরপরই শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (National Disaster Response Force), দিল্লি পুলিশ (Delhi Police), দমকল (Fire Brigade), সিএটি অ্যাম্বুল্যান্স (CAT Ambulance) এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা বিভাগের দল। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে জোরকদমে চলছে অভিযান।
এই ঘটনার বিষয়ে ইতিমধ্যেই খোঁজ নিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা (Delhi Chief Minister Rekha Gupta)। তিনি আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুস্থতাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিজেপি সাংসদ বাঁসুরি স্বরাজ (Bansuri Swaraj) এবং বিধায়ক অনিল শর্মা (Anil Sharma)। তাঁরা সেখানে থেকে উদ্ধারকাজের তদারকি করছেন। এদিকে, উদ্ধারকাজ যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। আধিকারিকদের বক্তব্য, অতিরিক্ত ভিড় উদ্ধারকারী দলগুলির কাজে সমস্যা তৈরি করছে। অ্যাম্বুল্যান্স যাতে দ্রুত এবং বাধাহীনভাবে ঘটনাস্থলে যাতায়াত করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।