Pink Force: কেন CJP বিক্ষোভের সামনের সারিতে মহিলা পুলিশ? পিঙ্ক ফোর্স নিয়ে বড় আপডেট

Published : Oct 10, 2026, 03:54 PM IST

Delhi Police Pink Force: দিল্লিতে মহিলাদের নিরাপত্তায় আসছে 'পিঙ্ক ফোর্স'। স্কুল, কলেজ ও মেট্রো স্টেশনে টহল দেবেন প্রশিক্ষিত মহিলা পুলিশকর্মীরা। জানুন দিল্লি পুলিশের এই নতুন মহিলা টিমের বিস্তারিত।

PREV
110
যন্তর মন্তরের নিরাপত্তায় নতুন নাম 'পিঙ্ক ফোর্স'

শনিবার জন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের আগে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি নতুন নাম শিরোনামে এসেছে, 'পিঙ্ক ফোর্স'। এটি পুরোপুরি মহিলা পুলিশকর্মীদের একটি দল। দিল্লি পুলিশ ও আধাসেনার বিশাল মোতায়েনের মধ্যেই এই বাহিনীকে দেখা যাচ্ছে। তাই সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন, এই বাহিনী আসলে কী কাজ করে।

210
পিঙ্ক ফোর্স আসলে কী

পিঙ্ক ফোর্স হল মহিলাদের নেতৃত্বে চলা একটি পুলিশি উদ্যোগ। এর লক্ষ্য হল প্রশিক্ষিত মহিলা পুলিশকর্মীদের জনসমক্ষে আরও দৃশ্যমান ও সহজলভ্য করা, যাতে প্রয়োজনে মহিলারা নিঃসংকোচে সাহায্য চাইতে পারেন। প্রতিদিনের কাজ মূলত পড়াশোনা, যাতায়াত বা সময় কাটানোর জায়গায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

310
আন্দোলনের আগেই এসেছিল ভাবনা

এই বাহিনীর ধারণা কিন্তু শনিবারের বিক্ষোভের চেয়ে পুরনো। সেপ্টেম্বরে লেফটেন্যান্ট গভর্নর টি এস সান্ধু দিল্লি পুলিশকে একটি বিশেষ মহিলা টহলদার বাহিনী গড়ার নির্দেশ দেন। স্কুল, কলেজ, মেট্রো স্টেশন ও ঝুঁকিপূর্ণ জনসমাগমের জায়গায় নজরদারিই ছিল মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ বিক্ষোভের জন্য নতুন করে তৈরি নয়, আগের পরিকল্পনাই এখন মাঠে নেমেছে।

410
গোয়ার মডেলেই তৈরি দিল্লির ভাবনা

দিল্লির এই পরিকল্পনার সরাসরি আদর্শ গোয়া। সেখানে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ ঠেকাতে পিঙ্ক ফোর্স চালু হয়েছিল। গোয়ার পর্যটন দফতরও নিয়মিত পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও নৈশ টহলের পাশাপাশি এই বাহিনীকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে। দিল্লি সেই মডেলই নিজের শহরে প্রয়োগ করতে চাইছে।

510
কেরলে আরও আগে থেকেই চলছে এমন উদ্যোগ

শুধু গোয়া নয়, কেরলেও 'পিঙ্ক পুলিশ প্যাট্রল' নামে একটি উদ্যোগ বহুদিন ধরে চলছে। কোচি সিটি পুলিশের নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৫ নভেম্বর সেখানে পিঙ্ক পুলিশ কন্ট্রোল রুম চালু হয়েছিল। তবে এগুলি আলাদা আলাদা স্থানীয় উদ্যোগ। সারা দেশে ছড়ানো কোনও একক 'পিঙ্ক ফোর্স'-এর শাখা নয়।

610
বিক্ষোভে কেন মোতায়েন করা হল

সম্প্রতি মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে অভব্য আচরণের কিছু ঘটনার খবর সামনে এসেছিল। তার পরেই এই মোতায়েন। ভোটার তালিকা নিয়ে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা আগে থেকেই কড়া করা হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতেই এই বাহিনী দেখা গেল। এই মহিলা পুলিশ কর্মীরা ইতিমধ্যেই শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে।

710
৩৫ হাজার জওয়ানের মধ্যে কতজন পিঙ্ক ফোর্স?

দিল্লি জুড়ে মোট ৩৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসেনা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু এটি সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংখ্যা, পিঙ্ক ফোর্সের নয়। এই বাহিনীর অনুমোদিত সংখ্যা, কমান্ড কাঠামো বা আলাদা কোনও ক্ষমতা আছে কি না, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের ফ্ল্যাগ মার্চও নিরাপত্তা অভিযানের আলাদা অংশ, দুটিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

810
বড় জমায়েতে মহিলা অফিসারদের ভূমিকা

বড় জমায়েতে মহিলা পুলিশকর্মীরা একাধিক বাস্তব কাজ করতে পারেন। যেমন মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বিপদে পড়া মানুষকে সাহায্য করা এবং যেখানে মহিলা কর্মীর দরকার, সেই পরিস্থিতি সামলানো। তবে এই বাহিনীকে ঠিক কী কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ্যে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

910
মহিলা পুলিশ থাকলেই কি ভিড় সামলানো সহজ হয়?

শুধু মহিলা বাহিনী নামালেই পরিস্থিতি শান্ত থাকবে, এমন সিদ্ধান্তে সঠিক না। প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব, যোগাযোগের ধরন ও অপারেশনের নির্দেশ, সবকিছুই এখানে ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মহিলা অফিসারদেরও যেমন হেনস্থা বা হামলা থেকে সুরক্ষা দরকার, তেমনই বিক্ষোভকারীদের জন্য চাই স্পষ্ট নির্দেশ ও জবাবদিহিযোগ্য পুলিশি আচরণ।

1010
বডি ক্যামেরা, আর সাফল্যের আসল পরীক্ষা

ইউনিফর্মে লাগানো বডি ক্যামেরা কম আলোতেও রেকর্ড করতে পারে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ উঠলে সেই ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে। তবে ওয়াশিংটন ডিসি-র একটি বড় গবেষণায় বডি ক্যামেরার কারণে বল প্রয়োগ বা অভিযোগের সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন মেলেনি। পিঙ্ক ফোর্স সফল কি না, তা বোঝা যাবে সাহায্য পাওয়া, অভিযোগের তদন্ত ও সংঘাত কমানোর মতো বাস্তব ফলাফলে। বাহিনীর দায়িত্ব, কর্মীসংখ্যা ও ফলাফল প্রকাশ্যে এলে তবেই তা স্পষ্ট হবে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories