DK Shivkumar: চন্দ্রবাবুকে টপকে দেশের সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শিবকুমার, ১৪১৩ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক CM-এর

Published : May 31, 2026, 12:59 PM IST
dk shivkumar

সংক্ষিপ্ত

DK Shivkumar: আগামী ৩ জুন, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবকুমার। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া-র স্থলাভিষিক্ত হতে চলা শিবকুমার শপথ নেওয়ারমসঙ্গেই দেশের সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নতুন নজির গড়তে চলেছেন।

DK Shivkumar: কর্ণাটকের সিংহাসনে বসতে চলেছেন ডিকে শিবকুমার। আগামী ৩ জুন, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন কংগ্রেস নেতা শিবকুমার। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া-র স্থলাভিষিক্ত হতে চলা শিবকুমার শপথ নেওয়ারমসঙ্গেই দেশের সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নতুন নজির গড়তে চলেছেন। ডি কে শিবকুমারের ঘোষিত মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১,৪১৩ কোটি টাকা। এই অঙ্ক দেশের অন্য সব মুখ্যমন্ত্রীকে ছাপিয়ে গিয়েছে। বর্তমানে সম্পত্তির নিরিখে শীর্ষস্থানীয় মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকায় থাকা এন চন্দ্রবাবু নাইডু-র সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৯৩১ কোটি টাকা। অন্যদিকে সি.জোসেফ বিজয়ের ঘোষিত সম্পত্তি প্রায় ৬৪৮ কোটি টাকা। ফলে দেশের সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শিবকুমার।

১,১৪০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি

নির্বাচনী হলফনামা এবং এডিআর-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শিবকুমারের মোট সম্পত্তির মধ্যে প্রায় ১,১৪০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়া স্থাবর সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২৭৩ কোটি টাকা। একই সঙ্গে তাঁর দায় বা ঋণের পরিমাণও কম নয়। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর মোট দায় প্রায় ২৬৫ কোটি টাকা। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি তাঁর সম্পত্তির বৃদ্ধির হারও যথেষ্ট নজরকাড়া। ২০০৮ সালে তাঁর ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৫.৫ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫১ কোটি টাকায়। ২০১৮ সালে সেই অঙ্ক পৌঁছে যায় ৮৪০ কোটিতে। আর ২০২৩ সালের হলফনামায় সম্পত্তির পরিমাণ দেখানো হয়েছে ১,৪১৩ কোটি টাকা। আগামী ৩ জুন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দেশের সবচেয়ে ধনী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নাম নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে।

কীভাবে এত ধনী

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুল সম্পদ বৃদ্ধির পিছনে অন্যতম কারণ উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমি এবং দীর্ঘদিন ধরে জমির বাজারমূল্যের বৃদ্ধি। শিবকুমার জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ও ঠাকুমার উইলের মাধ্যমে পাওয়া কৃষিজমির মূল্য সময়ের সঙ্গে বহুগুণ বেড়েছে। কর্নাটকের বিভিন্ন এলাকায় জমির দাম বৃদ্ধির ফলে তাঁর সম্পত্তির মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেঙ্গালুরু, মাইসুরু, কানাকাপুরা এবং দিল্লিতে তাঁর একাধিক আবাসিক সম্পত্তি রয়েছে। বেঙ্গালুরুর গোপালপুরা এলাকায় একটি মল প্রকল্পের জমিও তাঁর সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে। রিয়েল এস্টেট, অবকাঠামো নির্মাণ, খনি ব্যবসা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনাতেও তাঁর পরিবারের সক্রিয় বিনিয়োগ রয়েছে।

বহু ব্যবসার মালিক

শিবকুমার পরিবারের পরিচালিত বিভিন্ন ট্রাস্টের অধীনে কর্নাটকে একাধিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ফার্মাসি কলেজ, স্কুল এবং ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। ফলে রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়ী হিসেবেও তিনি সুপরিচিত। বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্যও শিবকুমার বরাবরই আলোচনায় থেকেছেন। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী ব্যবহারের পাশাপাশি তাঁর সংগ্রহে রয়েছে একাধিক দামি ঘড়ি। তবে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর সমস্ত সম্পত্তিই স্বচ্ছভাবে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের নামে ঘোষণা করা হয়েছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

8th Pay Commission: মাত্র একটি পরিবর্তন, আর তাতেই ৪ গুণ মাইনে বাড়বে সরকারি কর্মচারীদের
ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ পদে দায়িত্ব নিলেন এনএস রাজা সুব্রামানি