TMC Symbol Dispute: তৃণমূলের নাম ও প্রতীক কার? বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন

Published : Sep 17, 2026, 02:41 PM IST
TMC Symbol Dispute: তৃণমূলের নাম ও প্রতীক কার? বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন

সংক্ষিপ্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও দলীয় প্রতীক কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের মধ্যে এই লড়াই চলছে। বৃহস্পতিবার ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।

তৃণমূল কংগ্রেসের নাম আর নির্বাচনী প্রতীক আসলে কার? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের? এই বিতর্কের জল এবার গড়িয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা।

প্রতীক নিয়ে কমিশনের শুনানি

এই বিবাদ মেটাতে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বসছে কমিশন। ঋতব্রতকে দেওয়া একটি চিঠিতে কমিশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টেয় নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনে এই বৈঠক হবে।

কমিশনের কথায়, "আগামী ১৭.০৯.২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৩টেয় নয়াদিল্লির অশোকা রোডের নির্বাচন সদনে আপনার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে শুনানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।"

এর আগে শনিবারও তৃণমূলের নাম ও প্রতীকের দাবি নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ওই পাঁচ সদস্যের দলের সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠক করেছিল কমিশন। এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামান, অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং ঋজু দত্ত। গত এপ্রিলে বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে দলের হারের পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরত্ব বাড়ান সদ্য নির্বাচিত ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে প্রায় ৬০ জন। এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীরই নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত।

উপনির্বাচনের আগে চরমে কোন্দল

দুই শিবিরই নিজেদের 'আসল' তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করছে। দলের বৈধ নেতৃত্ব হিসেবে স্বীকৃতি পেতে তারা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন শিয়রে। তার আগেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই শিবিরের এই লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। আসন্ন ভোটের আগে নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য এই শুনানির রায় দুই পক্ষের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে। তিনি ভবানীপুর আসনটি নিজের কাছে রেখেছেন। চলতি বছরের শুরুতে বিধানসভা ভোটে এই ভবানীপুরেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর ইস্তফা দেওয়ায় রেজিনগর আসনটি ফাঁকা হয়। তিনি নওদা থেকেও জিতেছিলেন।

আগামী ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। আর ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১১ অক্টোবরের আগেই গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

LPG Price: পুজোর আগে স্বস্তি! এক ধাক্কায় অনেকটা কমে গেল গ্যাসের দাম, দেখে নিন কোন শহরে দাম কত
PM Modi Birthday: মোদীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা রাজনাথের, 'বিকশিত ভারত'-এর পথে দেশ