সূত্রের খবর নীতিন নবীন মকর সংক্রান্তির পরই তিনি দলের দায়িত্বভার আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেবেন জেপি নাড্ডার কাছ থেকে। তারপরই তিনি নিজের মত করে টিম সাজাবন। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করবেন। কোন বিজেপি নেতা ঠাঁই পেতে পারেন সেখানে।
এবার বিজেপি কী পূর্ব ভারতের দিকে নজর দেবে? তেমনই অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ এবার পূর্ব ভারতের বাসিন্দাই বিজেপির নতুন সভাপতি হতে চলেছেন। সূত্রের খবর নীতিন নবীন মকর সংক্রান্তির পরই তিনি দলের দায়িত্বভার আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেবেন জেপি নাড্ডার কাছ থেকে। তারপরই তিনি নিজের মত করে টিম সাজাবন। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করবেন।
25
বড় রাজ্য বঙ্গ
পূর্ব ভারতের সবথেকে বড় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। এখানে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল। কিন্তু তারপরও বঙ্গের কোনও বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই। তাই পূর্ব ভারত থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিয়োগ হওয়ার পরই অনেকেই মনে করছেন এবার বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই পেতে পারেন কোনও বঙ্গের কোনও নেতা।
35
বাংলাকে উপেক্ষা?
বিজেপির একটি সূত্রের খবর এতদিন বিজেপি বাংলাকে উপেক্ষাই করে এসেছে। আর সেই কারণেই বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে কোনও বাংলার নেতা ঠাঁই পায়নি। অন্যদিকে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকে ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তারপরেও কোনও পূর্ণ মন্ত্রী পায়নি বাংলা। ২০২৪ সালে আসন সংখ্যা কমছে। তাই ছবিটাও আর বদলায়নি। পাশের রাজ্য অসম ওড়িশা বিহার থেকে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছে।
আগামী বছর বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হচ্ছে। আর সেই কারণে এবার বঙ্গ থেকে কোনও প্রতিনিধি কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই পেতে পারেন। তেমনই আশা করছেন বঙ্গের বিজেপি নেতারা।
55
অন্তরায় বিজেপির দলীয় কোন্দল!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্য বিজেপির এক নেতা বলেছেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে বঙ্গের কোনও নেতার ঠাঁই পাওয়ার পথে অন্তরায় রাজ্য বিজেপির নেতাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। তবে রাজ্য বিজেপির নেতারা যদি দ্রুত গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মেটাতে পারেন তাহলে প্রথম সারির কোনও নেতা না হলেও দ্বিতীয় সারির কোনও নেতা জায়গা পেতে পারেন কেন্দ্রীয় কমিটিতে। তবে নীতিন নবীন যে বাঙালির মন জয় করতে চান তা তিনি বছরের প্রথম দিনই বুঝিয়ে দিয়েছেন। কারণ গতকাল তিনি পাহাড়গঞ্জের রামকৃষ্ণ মিশনে পুজো দিয়েছিলেন।