
Guwahati IED Case: গত ১৫ অগাস্ট, অসমের গুয়াহাটির পানবাজার এলাকার মতিলাল নেহরু রোডে একটি আইইডি (IED) উদ্ধার হয়। অভিযোগ, উলফা (স্বাধীন) বা ULFA (I) জঙ্গিরা ওই বোমাটি রেখেছিল। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) এবার এই ঘটনায় ৫ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল। গুয়াহাটির এনআইএ বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন উলফা (স্বাধীন)-এর চেয়ারম্যান তথা কম্যান্ডার-ইন-চিফ পরেশ বড়ুয়া। বাকি চারজন হলেন কনক চন্দ্র গগৈ ওরফে আইশেং অসম, জাহ্নু বড়ুয়া, ভার্গব গগৈ এবং সুমু গগৈ। ২০২৩ সালের ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ১৯৬৭ সালের ইউএপিএ (UAPA) এবং ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইনের একাধিক ধারায় এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে (Guwahati IED Case)।
প্রথমে গত ১৬ অগাস্ট, গুয়াহাটির পানবাজার থানায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল (মামলা নম্বর ২০২/২০২৪)। পরে চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি এনআইএ নতুন করে মামলাটি নিজেদের হাতে নেয়। এনআইএ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ষড়যন্ত্র করেছিল। গুয়াহাটির পানবাজারের মতিলাল নেহরু রোড সহ অসমের একাধিক জায়গায় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল তাদের। তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, প্রাণহানি, সম্পত্তির ক্ষতি এবং দেশের ঐক্য, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা। সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি করতেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলে এনআইএ-র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন উলফা (স্বাধীন)-এর চেয়ারম্যান তথা কম্যান্ডার-ইন-চিফ পরেশ বড়ুয়া। বাকি চারজন হলেন কনক চন্দ্র গগৈ ওরফে আইশেং অসম, জাহ্নু বড়ুয়া, ভার্গব গগৈ এবং সুমু গগৈ। ২০২৩ সালের ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ১৯৬৭ সালের ইউএপিএ (UAPA) এবং ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইনের একাধিক ধারায় এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।