দিল্লি ও তার আশপাশে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ (H1N1) বা সোয়াইন ফ্লু-র প্রকোপ বৃদ্ধি নিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)।
210
নতুন স্ট্রেনের কোনও অস্তিত্ব নেই, জানাল ICMR
ICMR-এর বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ (H1N1)-এর কোনও নতুন স্ট্রেন পাওয়া যায়নি। আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেই দাবি তাঁদের।
310
কোন ভাইরাসের প্রকোপ চলছে, জানাল রিপোর্ট
ICMR-এর এক সিনিয়র বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, বর্তমানে ছড়ানো ইনফ্লুয়েঞ্জা এ (H1N1) pdm09 ভাইরাসটি A/Missouri/11/2025-লাইক ভাইরাসের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যা ২০২৫ সাল থেকেই সংক্রমণ ঘটিয়ে চলেছে।
বিজ্ঞানীদের দাবি, বর্তমানে ছড়ানো স্ট্রেনগুলি উত্তর গোলার্ধের জন্য সুপারিশ করা ভ্যাকসিনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা স্বস্তির বিষয় বলেই মনে করছেন তাঁরা।
510
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজে থেকে সেরে ওঠে সংক্রমণ
প্রেস নোট অনুযায়ী, H1N1-সহ সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিজে থেকেই সেরে যায়। জ্বর, কাশি, মাথাব্যথা ও গায়ে-হাতে-পায়ে ব্যথাই এর সাধারণ লক্ষণ।
610
ঝুঁকিতে কারা, সতর্ক করল ICMR
শিশু, বয়স্ক এবং আগে থেকে অন্য কোনও শারীরিক সমস্যায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। উপসর্গ না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
710
ল্যাবেও ধরা পড়ছে পজিটিভ কেসের সংখ্যা বৃদ্ধি
ডঃ ড্যাংস ল্যাবের সিইও অর্জুন ড্যাং জানিয়েছেন, দিল্লিতে গত কয়েক সপ্তাহে তাঁদের ল্যাবে বহু পজিটিভ কেস ধরা পড়েছে এবং শ্বাসকষ্ট-সর্দি-কাশি নিয়ে টেস্ট করাতে আসা মানুষের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে।
810
এ বছরে কত কেস, জানাল NCDC
ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (NCDC)-এর তথ্য বলছে, এ বছর এখনও পর্যন্ত ১,৭৭৭টি H1N1 কেস ধরা পড়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেকটাই বেশি।
910
প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগ মোকাবিলায় দিল্লির প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বৈঠক করেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী পঙ্কজ কুমার সিংও।
1010
সম্পূর্ণ প্রস্তুত দিল্লি, আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
পঙ্কজ কুমার সিং কেন্দ্রকে জানান, দিল্লি বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত। বেড, ডাক্তার, ওষুধ বা চিকিৎসা সরঞ্জামের কোনও অভাব নেই এবং প্রত্যেক রোগী সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাবেন বলে আশ্বাস দেন তিনি।