
ISRO Privatization: ইসরোর কর্মচারী ইউনিয়নগুলি উদ্বেগ জানিয়ে চিঠি দেয়। তার জবাবেই সমস্ত কর্মীদের সঙ্গে একটি ভিডিও কনফারেন্সে কথা বললেন চেয়ারম্যান ভি নারায়ণন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইসরোর বেসরকারিকরণ করা হবে না (ISRO Privatization)। তাই কর্মীদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। নারায়ণন আশ্বাস দেন যে, কারও চাকরি যাবে না বা কোনও সুযোগ-সুবিধাও কমানো হবে না। তিনি আরও বলেন, ইসরো একটি সরকারি সংস্থা এবং প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথেই আগামী দিনে এগিয়ে চলবে।
EOS-05 Satellite: উপর থেকে নজর রাখবে সর্বক্ষণ, EOS-05-কে জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথে পৌঁছে দিল ISRO
প্রসঙ্গত, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ লেখা একটি যৌথ চিঠিতে নয়টি সংগঠন রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে রয়েছে ইসরো স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন, শার এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, ইসাক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, ইসরো স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এলপিএসসি, ইসরো স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন-বিবিইউ, এনআরএসএ এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, স্পেস এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন-বিবিইউ, ইসরো স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন-আইপিআরসি এবং স্যাক এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। তাদের চিন্তার প্রধান কারণ হল, ইসরোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ বেসরকারি সংস্থা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব। সেই চিঠিতে IN-SPACe-এর চেয়ারম্যান পবন কুমার গোয়েঙ্কার একটি মন্তব্যের উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২১ অগাস্ট, ২০২৬-এ একটি সামিটে তিনি বলেছিলেন, "একটা সময়ে গিয়ে ইসরো আর কোনও লঞ্চ ভেহিকেল তৈরি করবে না। সেই কাজগুলো বেসরকারি সংস্থা বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা করবে।"
ইউনিয়নগুলি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা ভারতীয় শিল্পের বিরোধী নয় বা NSIL-এর মাধ্যমে বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধেও নয়। তাদের আসল উদ্বেগ হল, এমন কোনও সরকারি নীতিপত্রের অভাব যা বেসরকারি অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা এবং ইসরোর নিজস্ব ক্ষমতাকে খর্ব করার মধ্যে একটি স্পষ্ট সীমারেখা টানবে।
তবে ইসরোর চেয়ারম্যান কর্মীদের কথা দিয়েছেন যে, ভালো কাজের জন্য আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার যে 'পারফরম্যান্স রিলেটেড ইনসেনটিভ স্কিম' রয়েছে, তা চালু থাকবে। নারায়ণন এও স্পষ্ট করেন যে, কর্মী সংকট মেটাতে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াও চলছে। সকাল ১১:৩০ নাগাদ এই ইন্টারনাল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন নারায়ণন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।