Jantar Mantar Protest: আন্দোলনে উত্তাল দিল্লি। যন্তর মন্তরে কার্যত, বিশাল বিক্ষোভ আছড়ে পড়েছে। আন্দোলনের তীব্রতা সামলাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। একের পর এক নেতৃত্বকে গ্রেফতার করা হচ্ছে (Jantar Mantar Protest)। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে সিজেপি, বাম ছাত্র সংগঠন এবং বিরোধীদের আন্দোলনে এই মুহূর্তে দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বর পুরোপুরি অবরুদ্ধ। এমনিতেই, ১০ অক্টোবরের এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই বাস চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বন্ধ করা হয় ট্রেন এবং মেট্রো পরিষেবা (cjp protest news)। এবার এই আন্দোলন ঠেকাতে ভীষণভাবনেই তৎপর হয়ে উঠেছে দিল্লি পুলিশ। বিরোধীরা বলছেন, “ভয় পেয়েছে সরকার।"
സിജെപി സമരത്തിന് പിന്തുണ; സിപിഎം ജനറൽ സെക്രട്ടറി എം.എ ബേബിയെ ദില്ലി പൊലീസ് കസ്റ്റഡിയിലെടുക്കുന്ന ദൃശ്യങ്ങൾ
#CJPProtest #MABaby #CPM #DelhiPolice https://t.co/JcFiLc0gxQ
— Asianet News (@AsianetNewsML) October 10, 2026
প্রসঙ্গত, বিমানের ভিতর থেকেই গ্রেফতার করা হয় সিজেপি নেতৃত্ব অভিজিৎ ডিপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে। পাশাপাশি আন্দোলন চলাকালীন গ্রেফতার হন এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ, আইসা নেত্রী নেহা বোরা, সিপিএম-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকেই। খবর আসছে, সিজেপির ডাকে এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বহু আইনজীবীকেও আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি কেরালার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিট্টাস, সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাটকেও আটক করা হয়েছে।
দিল্লিতে সিজেপি-র আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। সিজেপি পরিষ্কার বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, নেতাদের আটক করলেও আন্দোলন থামানো যাবে না। ইতিমধ্যেই বিশাল সংখ্যক ছাত্র-যুবদের জমায়েত রয়েছে। অভিজিৎ ডিপকে বলেন, “দেশে জরুরি অবস্থার সময়েও ইন্দিরা গান্ধী এইরকম করেননি। আমরা গ্রেফতার হতে প্রস্তুত।" পুলিশ কার্যত, টেনেহিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলছে আন্দোলনকারীদের। এমনকি, আন্দোলনে যোগ দিতে যাওয়ার পথেও অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। দিল্লির কনট প্লেস থেকেও আটক করা হয়েছে অনেক আন্দোলনকারীকে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।