
Jantar Mantar Protest: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। দিল্লির যন্তর মন্তর শুধু নয়, ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে মুম্বই থেকে কলকাতা সব জায়গায়। আর এই আবহে বিরোধীরা যে কোনওভাবেই পিছু হটবে না, তা স্পষ্ট করে দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi Breaking News)। শনিবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, “ক্ষমতা থাকলে সব বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে দেখান।" সংবিধান রক্ষা এবং দেশের মানুষের আওয়াজ বাঁচাতে তাদের এই লড়াই আরও জোরদার হবে বলেও জোর গলায় জানান রাহুল (Jantar Mantar Protest)। পাশাপাশি রাস্তায় নামা তরুণদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ারও ডাক দিয়েছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।
রাহুল গান্ধী জানান, "গত এক দশকের বেশি সময় ধরে আমি নরেন্দ্র মোদী এবং আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছি। বিপক্ষকে ঠিক যেমনটা চেনা উচিত, আমি ওদের ঠিক ততটাই চিনি। একেবারে হাতের তালুর মতো। এদের আসল চরিত্রই হল কাপুরুষতা। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত, জ্ঞানেশ কুমার এবং অজিত দোভাল—এই গল্পের খলনায়করা এখন বুঝতে পারছেন যে, তাদের চারপাশের জমি ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। আর আমরাই সেই জমিটা ছোট করে দিচ্ছি। মোদীজি, আপনার যা খুশি করুন। ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৫০ হাজার—যত খুশি পুলিশ ডাকুন। সব নেতাদের গ্রেফতার করুন। সব তরুণদের জেলে ভরুন। আমাদের সবাইকে গ্রেফতার করুন।"
তাঁর কথায়, “আমরা আপনাদের চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলছি, আর আমরা মোটেই পিছু হটব না। আমার কথাটা মিলিয়ে নেবেন। আমাদের কাছে দরকারি সব তথ্য আগে থেকেই আছে। আমরা আমাদের সংবিধানকে রক্ষা করবই। দেশের মানুষের আওয়াজ আমরা বাঁচাব। আর গত ১০-১৫ বছর ধরে ভারতের সঙ্গে যা যা করা হয়েছে, তা যাতে আর কখনও না হয়, সেটাও আমরা নিশ্চিত করব। ভারতের তরুণ সমাজ, আমি তোমাদের নিয়ে গর্বিত। তোমরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাও। আমরা তোমাদের পাশে আছি। এই সরকার এবং যারা আমাদের সংবিধানে আঘাত হেনেছে, তাদের হার আমরা নিশ্চিত করবই।"
শনিবার, দিল্লি পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র ডাকে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার সময় রাজধানী জুড়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১,০০০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, "ভারত এখন আর কোনও গণতান্ত্রিক দেশ নেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে এটি এখন একনায়কতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। ভারতে এখন আর গণতন্ত্র নেই। নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ মিলে দেশে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন।"
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।