Jharkhand Blast: কাজের মধ্যেই ঘটে গেল ভয়ঙ্কর ঘটনা, ঝাড়খন্ডে স্টিলপ্ল্যান্টে অগ্নিকাণ্ডে জখম অন্তত ৯

Published : Apr 06, 2026, 05:39 PM IST
Asianet News

সংক্ষিপ্ত

Jharkhand Blast News: ঝাড়খণ্ডের স্টিল প্ল্যান্টের কারখানায় আগুন আতঙ্ক। ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের জেরে গুরুতর ভাবে আহত অন্তত ৯ জন। কী কারণে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটল? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Jharkhand Blast News: ঝাড়খন্ডের রামগড় জেলার আরাগাড়ায় ঝাড়খণ্ড স্টিল প্ল্যান্টে বয়লার বিস্ফোরণ। ঘটনায় নয়জন শ্রমিক দগ্ধ। সাতজনের অবস্থা গুরুতর। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা প্ল্যান্টের গেটের বাইরে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হন।  সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে, ঝাড়খণ্ডের রামগড় জেলার আরাগাড়ায় অবস্থিত ঝাড়খণ্ড স্টিল প্ল্যান্টে।সোমবার ভোরের দিকে একটি বয়লার বিস্ফোরণ ঘটে। এই বিস্ফোরণের ফলে পুরো প্ল্যান্টে বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বয়লার বিস্ফোরণে নয়জন শ্রমিক গুরুতর আহত হন।

স্টিল প্ল্যান্টের কারখানায় আগুন আতঙ্ক:-

বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে এর ফলে প্ল্যান্টের বাইরেও অনেকে আহত হন। শ্রমিকরা কাজ করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ বিস্ফোরণটি ঘটে এবং আগুন ধরে যায়, এতে বহু লোক আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিস্ফোরণের ফলে ভিতরে ধোঁয়া ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে, যার কারণে শ্রমিকরা পালিয়ে যান। গুরুতরভাবে দগ্ধ শ্রমিকদের পরিচয় জানিয়েছে পুলিশ। 

জখম শ্রমিকরা হলেন অখিলা রায়, ব্রিজলাল বেদিয়া, রাজবালান যাদব, মহেশ মাহাতো, অশোক বেদিয়া, পণ্ডিতজি ওরফে রাজু ঝা, সোতু সা শঙ্কর বেদিয়া এবং আশিয়া। দুর্ঘটনার পর সকল আহতকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, নয়জন শ্রমিকের মধ্যে সাতজনের শরীরের ৮০-৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। এবং তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গুরুতর আহতদের রাঁচি শহরের দেব কমল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এই ঘটনাটি কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, কারখানায় নিরাপত্তা বিধি সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। তারা অভিযোগ করেন যে, যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি করা হতো এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা হতো, তাহলে এমন বড় দুর্ঘটনা এড়ানো যেত। এই ঘটনার পর, মান্ডুর বিধায়ক নির্মল মাহাতোর নেতৃত্বে শ্রমিক ও গ্রামবাসীরা টায়ার জ্বালিয়ে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও কারখানা বন্ধের দাবিতে কারখানার গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু  করেন। বিধায়ক নির্মল মাহাতো বলেন যে, কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুরু থেকেই দুর্বল ছিল। এবং শ্রমিকর অবহেলার শিকার হচ্ছিলেন। আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।''

রামগড় পৌর পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান রণধীর গুপ্ত বলেন, ‘’নয়জন দগ্ধ হয়েছেন, একটি চুল্লি বিস্ফোরিত হয়েছে এবং রোগী গুরুতর অবস্থায় আছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এত বড় একটি প্ল্যান্ট অ্যাম্বুলেন্স ছাড়াই চলছে। স্থানীয়রা নিজেদের গাড়ি এনে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ এলে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এখানকার দূষণের মাত্রাও খুব বেশি এবং শ্রমিকরা ঠিকমতো মজুরি পাচ্ছেন না। আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত প্ল্যান্টটি বন্ধ থাকবে।'' এদিকে ঘটনার পর রামগড় থানার পুলিশ প্ল্যান্টে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন তদন্ত প্রতিবেদন আসার পরেই সঠিক কারণ জানা যাবে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

২৫ বছর পর হঠাৎ ফিরলেন, স্বামীকে মৃত ভেবে দেওরকে বিয়ে করা স্ত্রী চরম সঙ্কটে
Himanta Biswa Sharma: ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার মনোনয়ন বাতিলের দাবি কংগ্রেসের, কী কারণে এত বড় দাবি হাত শিবিরের