সরকারি অফিসে কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক ভাবে পরে আসতে হবে খাদির পোশাক, নয়া বিধি চালু রাজ্য সরকারের

Published : Jan 30, 2026, 07:16 AM IST

Karnataka Govt On Khadi Attire: মাসের প্রথম শনিবার করে অফিসে পরে আসতে হবে খাদির পোশাক। সরকারি চাকুরিরত কর্মীদের জন্য এমনই নয়া নিয়ম আনল রাজ্য সরকার। কোন রাজ্যে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

PREV
15
অফিসে বাধ্যতামূলক খাদির পোশাক পরা

এবার থেকে  অফিসে  বাধ্যতামূলক ভাবে পরে আসতে হবে খাদির পোশাক। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীদের জন্য লাগু হতে চলেছে এই নিয়ম। যারফলে এবার থেকে মাসের প্রথম শনিবার খাদির পোশাক পরে অফিসে আসা বাধ্যতামূলক করল এই রাজ্য  সরকার। 

25
কোন রাজ্যে চালু হচ্ছে এই নিয়ম?

সূত্রের খবর, কর্ণাটক রাজ্য সরকারের তরফে চালু করা হচ্ছে এই নিয়ম। জানা গিয়েছে যে, দেশের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে এক অভিনব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কর্ণাটক সরকার। স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের সঙ্গে জনসেবাকে পুনরায় যুক্ত করতে রাজ্যজুড়ে খাদি পোশাকের ব্যবহার প্রসারে জোর দেওয়া হচ্ছে।

35
কী বলছে রাজ্য সরকার?

এই বিষয়ে কর্ণাটক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি আধিকারিক এবং কর্মীদের মধ্যে খাদির জনপ্রিয়তা বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মর্মে শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে- মাসের প্রথম শনিবার: প্রতিটি সরকারি অফিসের কর্মীদের প্রতি মাসের প্রথম শনিবারে স্বেচ্ছায় খাদি পোশাক পরে দফতরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতীয় উৎসব. স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসগুলোতে খাদি পোশাক পরিধানকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠান, যাবতীয় সরকারি অনুষ্ঠান বা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার সময় আধিকারিকদের খাদি বস্ত্র ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

45
কেন এই সিদ্ধান্ত?

খাদি কেবল সাধারণ কোনও তন্তু বা কাপড় নয়। বরং এটি দেশের মর্যাদা ও গর্বের এক অনন্য প্রতীক। রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের মতে, খাদি ব্যবহারের এই উদ্যোগ দেশীয় পণ্যের প্রতি শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করতে এবং জাতীয় সংহতিকে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে।

55
খাদি উৎপাদনে বড় সিদ্ধান্তের পথে সরকার

রাজ্যের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে খাদি শিল্পের ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্ণাটক সরকার। সরকারি আধিকারিকদের মতে, খাদি উৎপাদন কেবল একটি ঐতিহ্য নয়, বরং এটি গ্রামীণ অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার প্রান্তিক তন্তুবায় এবং সুতাকাটা কর্মীরা সরাসরি উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। 

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories